পোপ লিও চতুর্দশের সামরিক এআই ব্যবহার নিন্দা
য দ ধ র ময়দ ন এআই – পোপ লিও চতুর্দশ এআই ব্যবহারের সামরিক ক্ষেত্রে বৈশ্বিক প্রবণতার তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। তিনি একে একটি ধ্বংসাত্মক চক্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ভ্যাটিকানে আন্তর্জাতিক মানবতার স্বার্থ বিষয়ক নতুন ইশতেহার প্রকাশ করতে যাচ্ছে এর শীর্ষস্থানীয় গবেষণার ফলের পরিপ্রেক্ষাপটে।
এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে যখন অ্যানথ্রোপিক সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছে। তাদের মডেল ক্লড-কে স্বয়ংক্রিয় প্রাণঘাতী অস্ত্র বা ব্যাপক নজরদারির কাজে ব্যবহার করতে দিতে রাজি হয়নি। মার্কিন সামরিক বিভাগ বিস্তারিত ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছিল, কিন্তু অ্যানথ্রোপিক তাদের আপত্তি জানিয়েছে যে এআই মানুষের বাস্তবতা ছাড়া সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দিতে পারে।
বিশ্বপত্র ও সামাজিক বৈষম্য
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ এআই প্রযুক্তি সামরিক কার্যক্রমে ব্যবহার বাড়াতে চায়, কিন্তু অ্যানথ্রোপিক তাদের নীতিতে বলেছেন যে মানুষের অনুপস্থিতির অব্যবহার করতে রাজি হননি। যুক্তরাষ্ট্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০৩৩ সাল পর্যন্ত এআই বাজারমূল্য চার দশকের মধ্যে আড়াই হাজার বিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ চেয়েছিল এআই প্রযুক্তি সামরিক কার্যক্রমে আরও বিস্তৃতভাবে ব্যবহার করতে। কিন্তু অ্যানথ্রোপিক তাদের নীতিতে বলেছে, মানুষ ছাড়াই এআই যেন হত্যা বা ব্যাপক নজরদারির সিদ্ধান্ত নেবে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পোপ লিও চতুর্দশের এআই নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক বিশ্বপত্র ‘ম্যাগনিফিকা হিউম্যানিটাস’ সামাজিক বৈষম্যকে আরও বাড়িয়ে দেবে বলে আশঙ্কা করছে। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করেছেন যে শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবতার স্বার্থে এআই ব্যবহারকে নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ দিন দিন ফুরিয়ে আসছে।
পূর্বের সতর্কতা
পোপ ফ্রান্সিসও এআই ব্যবহারে গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, প্রযুক্তি বৈষম্যকে আরও বাড়িয়ে তোলতে পারে। গত জানুয়ারিতে তিনি চ্যাটবটের অ্যালগরিদম তৈরির স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছিলেন। আর এপ্রিলে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এআই মেরুকরণ, সংঘাত, ভয় ও সহিংসতা উস্কে দিতে পারে।
