News

গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো ‘কিচেন কেবিনেট’, পদত্যাগ করতে চেয়েছিলাম: তৌহিদ হোসেন | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

695aa9ed-99ae-4b99-a13b-2cdb3f4f0fb1-0

গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো ‘কিচেন কেবিনেট’, পদত্যাগ করতে চেয়েছিলাম: তৌহিদ হোসেন

Patrikajournal.com – গ র ত বপ র ণ স – সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানান যে, সাত সদস্যের ‘কিচেন কেবিনেট’ অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তিনি বলেন, তারা প্রতিদিন মঙ্গলবার বৈঠকে বসতেন এবং কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তাঁর মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল এবং তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল তাঁর দ্বারা। কিন্তু তা গৃহীত হয়নি।

সোমবার একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তৌহিদ হোসেন বলেন, তাদের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা ছিল না। তবে উচ্চপর্যায়ে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হতো। তিনি পরিষ্কার করে বলেন, প্রতি মঙ্গলবার বৈঠকে তারা অংশ নেয়া ছিল কিন্তু আসলে তাঁর জানা ছিল না যে, এ রকম একটি গ্রুপ আছে যারা নিয়মিত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

তিনি বলেন, কোনো এক উপলক্ষে কিচেন কেবিনেটের বৈঠকে আমাকে যেতে হয়েছিল যমুনাতে। পরে আমি জেনেছি যে প্রতি মঙ্গলবার তারা বৈঠকে বসেন। কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হতো এবং কথাবার্তা শোনা যেত। আমার কানেও আসত। কিন্তু বাইরে তাদের কাজের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল না বলে মনে হতো।

তৌহিদ হোসেন আরও বলেন, ভোটের মাত্র তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করেছিল। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্পৃক্ততা ছিল না। তিনি জানান, তা ছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার কাজ।

এ নিয়ে তিনি বলেন, কোনো কারণ হয়তো ছিল পেছনে যে কারণে তারা বাধ্য ছিলাম। কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না তবুও সই করার বিষয়টা নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া যেত। তিনি দায়িত্ব নিয়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে চিঠি লিখেছিলেন যেখানে তাঁর মতে কাজে আসবে না সেটা জানতেন।

তৌহিদ হোসেন আরও জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ে তার ভাবনা। তিনি মনে করেন আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এ রকম হবে না। তিনি বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ না। আমি মনে করি তারা রাজনীতিতে ফিরে আসব

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *