শহীদ জিয়া ঘোষণা স্বাধীনতা যুদ্ধের সংঘটনের কারণ: দুলু
শহ দ জ য় র ঘ ষণ – নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু তার মন্তবনে জানান, শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান চালনাকারী ঘটনা। তিনি উল্লেখ করেন যে, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে যদি সেদিন শহীদ জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় না তাহলে সমগ্র বাংলাদেশ স্বাধীন হতে পারতো না। ত্রাণ তহবিলের মাধ্যমে তারেক রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৫০ লাখ টাকা বিতরণে অংশ নেন।
স্বাধীনতা ঘোষণার প্রতিশ্রুতি এক ক্রমবিপ্লব
৪৫তম স্বাধীনতা ঘোষণা বর্ষ উপলক্ষে এই বিশ্বাস নিয়ে দুলু বলেন, শহীদ জিয়ার ঘোষণাটি জনগণের মনে এক বিশেষ আহ্বান জাগাল। এই ঘোষণার ফলে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতা যুদ্ধে এগিয়ে আসে। তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়া ঘোষণার মাধ্যমে সেদিন দেশের বিভিন্ন অংশ এক হয়ে স্বাধীনতা লড়াই চালিয়ে যায়। স্বাধীনতা ঘোষণা ছিল সার্বভৌমত্বের সংরক্ষণের জন্য একটি বিপ্লবী গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
১৯৭১ সালের ৩১ মে হল স্বাধীনতার ঘোষণার মূল দিন। শহীদ জিয়া এই দিনে স্বাধীনতা ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন যার ফলে বাংলাদেশের মানুষ আহ্বান মেনে চলে। এই ঘোষণা ছিল বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ গড়ে তুলবার কারণ। শহীদ জিয়া ঘোষণাটি কেবল একটি ভাষানুকূল কথা ছিল না, এটি ছিল একটি প্রতিশ্রুতি যার ফলে মুক্তিযোদ্ধারা অগ্রসর হয়।
মানুষের মন বিপ্লবে পরিণত হয়েছিল
দুলু জানান, শহীদ জিয়া ঘোষণার মাধ্যমে জনগণ স্বাধীনতা লড়াই চালিয়ে যায়। এই ঘোষণা ছিল সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান মূল সংঘটন। তিনি বলেন, শহীদ জিয়া ঘোষণাটি নয় বছর স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতিশ্রুতি ছিল এবং সেটি সার্বভৌমত্বের বিপন্নতা থেকে মুক্তি দেয়। অনুষ্ঠানে দুলু এটি স্পষ্ট করে বলেন যে, এই ঘোষণাটি ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল প্রেরণ।
২০২৬ সালের ৩১ মে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে স্বাধীনতা ঘোষণার স্মারক দিনে অনুষ্ঠানে দুলু উপস্থিত ছিলেন। তিনি উ
