নেত্রকোনায় নারীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
ন ত রক ন য় খ ট – ন ত রক ন য় খ ট এলাকায় ঘটেছে একটি চোখ ফাটানো ঘটনা। সোমবার রাতে কাটলি এলাকার ঘরে মনোয়ারা বেগম (৪৮) নামে এক নারীর মৃতদেহ খাটের নীচ থেকে খুঁজে পাওয়া হয়। তার স্বামী আবু চান (৬০) এবং ছেলে মুন্না (২৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সা প্রক্রিয়া চলছে।
মৃতা নারীর প্রতিবেশী অভিযোগ পুনরায় উঠেছে
পুলিশ সূত্রে জানানো হয় যে আব্দুর রশীদ নামে একজন প্রতিবেশী কখনও কখন মনোয়ারার কাছ থেকে টাকা ধার নেন। ঘটনার পর তার পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজে পায়নি। এতে বিশেষ আকারে গোপনে মরদেহ রাখা হয়েছে বলে সন্দেহ পোষণ করা হচ্ছে। খাটের নিচ থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধারের পর তদন্ত চালু করা হয়েছে।
পরিবারের অবস্থা ও সন্দেহ বিস্তার
মৃতা নারীর ছোট মেয়ে ইশা মনি দাবি করেন যে আব্দুর রশীদ প্রতিবেশী প্রতি বেশি ভাবে আচরণ করতেন। তিনি মাকে কার্যকর পরিচয় দিয়েছিলেন, কিন্তু ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বার করা হচ্ছে। নারী ছিলেন ন ত রক ন য় খ ট এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। তার মৃতদেহ খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় যখন তার স্বামী ও ছেলে খুঁজে পায়নি।
খাটের নিচ থেকে হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয় বাসিন্দারা আব্দুর রশীদকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। সূত্রগুলি মনে করে যে এ ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
নেত্রকোনার খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে নারীর মৃতদেহ। এ ঘটনায় ন ত রক ন য় খ ট এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা সন্দেহ পোষণ করছেন যে আব্দুর রশীদ মৃতা নারীর গুরুতর আহত হওয়া সম্পর্কে বার বার সন্দেহ পোষণ করেছিলেন।
পুলিশ তদন্তে বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্বজল কান্তি সরকার ও ফরেনসিক টিমের সহযোগিতা পাচ্ছেন। নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান যে এ ঘটনায় স্থানীয়দের মতে ন ত রক ন য় খ ট এলাকার আরও ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে।
অভিযোগে জানা গেছে যে খাটের নিচ থেকে মরদেহ খুঁজে পাওয়া হয় প্রায় এক ঘন্টা আগে। ঘটনার পর তদন্ত সম্পর্কে ন ত রক ন য় খ ট এলাকার পরিবারের সদস্যরা বিস্তার করেছেন। তারা বিশ্বাস করছেন যে এ ঘটনায় আব্দুর রশীদ ও অন্য ব্যক্তির সম্পর্কে সত্যিকার কারণ খুঁজে বার করা হয়েছে।
