বগুড়ার আবহাওয়া ঘোরাফুরো প্রায় স্বাস্থ্য ধ্বংসের সম্মুখীন
বগ ড় য় ত ব র গরম – বগুড়া শহরে বৃষ্টির দেখা না মিললে ঘরে বাইরে কোথাও রেহাই না পাওয়া মানুষের কষ্ট অসহনীয় হয়ে উঠেছে। কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড গরম আর প্রখর রোদে বাসিন্তার কোনো স্বস্তি থাকেনি। আবহাওয়া অফিস থেকে অনুমান হয়েছে যে এ মৌসুমে সহসাই বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।
তাপমাত্রা সর্বোচ্চ নোটিশ পেল বগুড়ায়
বুধবার বিকাল ৩টার সময় বগুড়ার তাপমাত্রা সর্বোচ্চ স্বাক্ষর করেছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই সংখ্যা চলতি মৌসুমে আবহাওয়া বিভাগের নথিতে নতুন রেকর্ড। কলোনি এলাকার বাসিন্দা মো. আমিনুল হক আরজু জানান যে গরমে বাড়িতেও অস্বস্তি হচ্ছে। দিনের বেলা বিছানায় শুয়ে থাকা যাচ্ছে না বলে তিনি বলেন, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিছানা, মেঝে আর আসবাবপত্রগুলো তেতে থাকছে।
প্রখর রোদ আর প্রচণ্ড গরমে বাড়িতে টিকতে পারছি না। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিছানা, মেঝে, আসবাবপত্রগুলো তেতে থাকছে। দিনের বেলা বিছানায় শুয়ে থাকা যাচ্ছে না এবং রাতেও স্বস্তি মিলছে না। বাহিরে একই অবস্থা।
গরমে ভ্যান ও রিকশাচালকরা যাত্রী না পেয়ে অলস সময় কাটিয়ে উ�ঠছেন। বার বার গোসল করে শরীর ঠান্ডা করছেন বলে বলেন সাধারণ মানুষ। সূর্যের তাপ যেন তাদের ঘাড়ে চেপে বসেছে। শ্রমজীবী মানুষ, নির্মাণ শ্রমিক, কৃষক আর বৃদ্ধ আক্রান্ত হয়েছেন হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা, ডায়রিয়া ও চর্মরোগে। চিকিৎসকেরা সাবধানতা জানাচ্ছেন যে পর্যাপ্ত পানি পান করা, হালকা খাবার আর সরাসরি রোদে বের না হওয়া ভালো।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে যে জুনের শুরু থেকে তাপমাত্রা এলাকার মানুষের জন্য দিন রাত ঘূর্ণায়িত হচ্ছে। তাপমাত্রার উচ্চতা এখনও কমে না। বগুড়া আবহাওয়া অফিসের পেশাগত সহকারী মো. আশেকুর রহমান বলেন, আজ বিকাল ৩টার সময় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি এ মৌসুমে সর্বোচ্চ নথি।
গরমে রাস্তা-ঘাট ফাঁকা হয়ে গেছে। রোদে বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে গায়ে ফোসকা পড়ার মতো অবস্থা হচ্ছে। কৃষক, রিকশাচালক আর ভ্যানচালক সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক আক্রান্ত হয়েছেন বিভিন্ন রোগে।
৮ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম ২ মিনিট আগে | অর্থনীতি ৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ১২ মিনিট আগে | ডেঙ্গু আপডেট ১৭ মিনিট আগে | চায়ের দেশ ৩২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন ৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন ২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ২১ ঘণ্টা আগে
