বাংলাদেশ সহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে
ব ল দ শ সহ ১০ লক – বাংলাদেশ সহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন কঠোরতর নিয়ন্ত্রণ প্রবৰ্ধনের সম্মুখীন হচ্ছে। ইউএসসিআইএস প্রকাশিত নতুন নিয়ম অনুসারে ওয়ার্ক পারমিট নবায়নের সময় আবেদনকারীদের অতীত রেকর্ড ও ফেডারেল ডাটাবেজের যাচাইয়ে গুরুতর পরীক্ষা করা হবে। নিয়মের প্রয়োগে কোনও অপরাধ বা আবেদন নথিতে ভুল তথ্য পাওয়া গেলে নবায়ন বাতিল করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম কী করে প্রয়োগ হবে?
নতুন আইনের প্রয়োগ সম্পর্কে ইউএসসিআইএস বিশেষজ্ঞদের মতে এটি সাধারণত আবেদন প্রক্রিয়া বাড়ানো ছাড়া নির্দিষ্ট চাপ ও বাস্তবতা বিবেচনায় আবেদনকারীদের নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে। বাংলাদেশ সহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন গুরুতর পরিবর্তনের সম্মুখীন হবে, যা বিশেষ করে কর্মসংক্রান্ত নির্ণয়ে প্রভাব ফেলবে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাংলাদেশ সহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন জটিল হলে কর্মী সংক্রান্ত চাপ বৃদ্ধি পাবে।
প্রায় ৯ লাখ ৭৮ হাজার মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন বর্তমানে কম সময়ে কর্মসংক্রান্ত অনুমতি পেয়া যায়। কিন্তু নতুন নিয়মের কার্যকরী হওয়ার পর প্রত্যেক আবেদন জটিল হবে। এ কার্যকরী প্রক্রিয়া গুরুতর সময় লাগাতে পারে, যা বাংলাদেশ সহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন প্রতি বছর সামান্য দুর্বল হতে পারে।
বাংলাদেশ সহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন কেন প্রভাবিত হবে?
ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে যে নতুন নিয়ম মার্কিন শ্রমবাজারে স্থানীয় কর্মীদের সুরক্ষা বৃদ্ধি করবে। বাংলাদেশ সহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন জটিল হলে বিদেশি কর্মীদের আবেদন প্রক্রিয়া গুরুতর দীর্ঘসূত্রতা হতে পারে। এটি অভিবাসন ব্যবস্থার জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করার সম্ভাবনা রয়েছে।
“ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়া জটিল হলে কর্মী সংক্রান্ত সংকট দেখা দিবে। মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি গুরুতর প্রভাবিত হতে পারে,” বলেন মঈন চৌধুরী।
অভিবাসন আইনজীবীদের মতে নতুন নিয়মের ফলে বাংলাদেশ সহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন দীর্ঘসময়ের জন্য স্থায়ী হতে পারে। সরকার তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৬০ দিন পর নিয়ম কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি বিশেষ করে কর্মস
