এসডিজি অর্জনে সব অংশীজনের সহযোগিতা প্রয়োজন
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্যাটেজিক স্টাডিজে সেমিনারে আলোচনা
এসড জ অর জন সব অ শ – এসডিজি অর্জনে সব অংশীজনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা একটি গুরুতর প্রয়োজন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন অংশীদার, শিক্ষা সংগঠন, নাগরিক সংগঠন, বেসরকারি খাত এবং যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলো একত্রিত হওয়া প্রয়োজন। বিআইআইএসএস ও জাতিসংঘ প্রকল্প সেবা কার্যালয় যৌথভাবে আয়োজিত সেমিনারে এসডিজি স্থায়ীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পক্ষের সহযোগিতা বাড়ানো হয়েছে। এতে যুবসমাজের অবদান প্রবল করার প্রয়োজনিতা আলোচিত হয়েছে এবং তরুণদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সমাজের সম্পদ বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব অবধারণ করা হয়েছে।
“এসডিজি অর্জনে দেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন, দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে তরুণদের ধারণা, চিন্তা এবং আকাঙ্গন প্রতিফলিত হবে। তাদের উৎসাহিত করতে হবে গতানুগতিক চিন্তাভাবনাকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য এবং বিভিন্ন খাতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনিতা আলোচিত হয়েছে।”
সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রিন্সিপাল কো-অর্ডিনেটর ড. এস এম আবদুল আওয়াল বলেন, যুবসমাজ ছাড়া এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, তরুণ নেতাদের আকর্ষণ করা ও তাদের ক্ষমতায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ। এসডিজি বাস্তবায়নে সমাজের সমস্যাগুলোর সমাধান করতে হলে যুব নেতৃত্বের ভূমিকা বাড়ানো আবশ্যক। উপস্থাপনা করেন বিআইআইএসএসের রিসার্চ ফেলো রাফিদ আবরার মিয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ ও বাজেট ও নীতি কেন্দ্রের পরিচালক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম।
সেমিনারটি মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে আলোচিত হয়েছে যুব নেতাদের সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে কী ভূমিকা পালন করা যায়। বিশেষ করে সমাজের সম্পদ বৃদ্ধি করা এবং স্থায়ী উন্নয়ন কাজে যুব সংগঠনগুলোর সহযোগিতা অপরিহার্য। এসডিজি লক্ষ্যমাত্রাগুলো সাধন করতে হলে সব খাতের মধ্যে সমন্বয় ঘটানো প্রয়োজন।
তরুণ নেতাদের ক্ষমতায়ন এবং সমাজের সম্পদ বৃদ্ধি
বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, তরুণ নেতাদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন ও তাদের ক্ষমতায়ন কার্যক্রম এসডিজি অর্জনে ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। যুবসমাজ সম্পর্কে আলোচনার মাধ্যমে এসডিজি প
