সড়কের তিন লেনই হকারের এক লেনে পথচারী-যানবাহন
সড়ক র ত ন ল নই হক – রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বেড়িবাঁধ তিনটি রাস্তার পাশাপাশি সড়কটি দখল করে নেয়, যার প্রস্থ সর্বাধিক ১০০ ফুট। এক পাশে চার লেনের মধ্যে তিনটি লেন হকারদের দখলে চলে গেছে। বাকি একটি লেনে কোনো মতে চলছে বাস, রিকশা ও ব্যক্তিগত যানবাহন।
সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ফুটপাত ছাড়িয়ে মূল সড়কে মাছ, সবজি, পোশাকসহ নানা পণ্যের দোকান বসে থাকে। বিকেলের দিকে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে ওঠে। গতকাল বৃহস্পতিবার এই চিত্র দেখা গেছে। সড়কটি কার্যত পরিণত হয়েছে ভাসমান বাজারে। কেরানীগঞ্জ, নবাবগঞ্জসহ বুড়িগঙ্গার তীরঘেঁষা নতুন আবাসিক এলাকার মানুষের শহরে প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, দখলবাজি থামাতে সিটি করপোরেশন অনেকটা নির্লিপ্ত। রোড ডিভাইডার দিয়ে বিভক্ত আট লেনের সড়কটি স্বাভাবিক অবস্থায় নির্বিঘ্ন যান চলাচলের জন্য যথেষ্ট হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বাস্তবে মোহাম্মদপুর আল্লাহ করিম মসজিদ থেকে তিন রাস্তার মোড় পর্যন্ত দুই পাশ মিলিয়ে অন্তত পাঁচ লেন দখলে চলে গেছে হকারদের। ফলে সিগন্যাল না থাকলেও দিনভর লেগে থাকে তীব্র যানজট।
সড়কের তিন লেনই হকারের এক লেনে পথচারী-যানবাহন কয়েক দিন সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ১০টা থেকেই হকার বসার শুরু হয়। বেলা বাড়তে থাকে দখলও বাড়তে থাকে। দুপুরের মধ্যে দুই সারি, আর বিকেলের দিকে কোথাও কোথাও তিন সারি দোকান বসে যায়।
‘২০০ টাকার মাছ যে কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেশি নিই, আমাদের তো চাঁদা দেওয়া লাগে। চাঁদা না দিলে কম দামেই রাখতে পারতাম। আমাদের বড় ভ্যানের দৈনিক ৫০০ টাকা দিতে হয়।’ – মোহাম্মদ রাসেল
‘আমি নিয়মিতই সবজি বেচি। রাস্তায় চলতি পথের মানুষ কেনে। বেচাকেনা মোটামুটি হয়। দৈনিক ১৫০ টাকা চাঁদা দেওয়া লাগে।’ – জয়নাল
‘আমাদের দৈনিক ১৫০ টাকা দেওয়া লাগে। কোনো সমস্যা, থানা পুলিশ লাগলে তারা দেখেন।’ – কাউসার আহমেদ
তবে কারা টাকা তোলে বলতে অস্বীকার করেন দুই বিক্রেতা। স্থানীয় দোকানি ও বাসিন্দাদের অভি�
