যুক্তরাষ্ট্রে নতুন সরঞ্জাম আনুমান করা হচ্ছে
য ক তর ষ ট র র – যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বাহিনী অধিক প্রাচুর্য সামরিক সরঞ্জাম প্রস্তুত করছে যার মাধ্যমে দেশটি সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে চায়। আধুনিক যুদ্ধের আধিপত্য বিস্তারের জন্য হাইপারসনিক গতির ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের ধারণা অনুসারে সামরিক প্রযুক্তি তৈরি করার চেষ্টা করে এখন দেশটি নতুন প্রজন্মের জ্বালানি ও গাইডেন্স সিস্টেম দ্বারা সংসাধিত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে।
গাইডেন্স সিস্টেমের প্রভাব
বিশেষ করে কঠিন জ্বালানি উদ্ভাবন বিমান বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করেছে। সেন্সর ব্যবস্থা সহজ হয়েছে এবং এগুলো লক্ষ্যভেদী হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যতের যুদ্ধ সংকলন করছে।
মার্কিন পরমাণু সক্ষমতার ভিত্তি হলো ট্রায়াড সিস্টেম, যা ভূমি, আকাশ ও সমুদ্রে আঘাত হানতে সক্ষম। বর্তমানে আমেরিকার সেনাবাহিনী মূলত এই নতুন প্রযুক্তির বিস্তার ও পরীক্ষার জন্য ব্যাপক বাজেট খরচ করছে।
হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকেল
২০২৬ সাল থেকে পেন্টাগন স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রে হাইপারসনিক গতির নতুন ভেহিকেল অন্তর্ভুক্ত করছে। এগুলো শব্দের চেয়ে সাত থেকে দশ গুণ বেশি গতিতে ধাবিত হতে পারে, যা বর্তমানে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে ঠেকানো কঠিন। এই প্রকল্পের প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের নির্মাণে প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে।
বিমান বাহিনীর হামলা করার ক্ষমতা কয়েক গুণ বেড়ে যাবে যখন হাইপারসনিক এয়ার-লঞ্চড মিসাইলগুলো পুরোপুরি প্রস্তুত হবে। আকাশপথে ধাবমান এগুলো শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যুহ চূর্ণ করতে প্রধান ভূমিকা পালন করবে বলে আনুমান করা হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অপ্রতিদ্বন্দ্বীতা
ডার্ক ঈগল ক্ষেপণাস্ত্রটি অত্যন্ত নিখুঁত নিশানা দেয়ার ক্ষমতা রাখে। বর্তমানে পারমাণবিক ঢাল হিসেবে ওহাইও সাবমেরিনগুলোতে তাদের উপস্থিতি শত্রুপক্ষের জন্য বড় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। কয়েক হাজার কিলোমিটার দূর থেকে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে এগুলো কার্যকর।
বিশেষ করে ইউরোপ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মার্কিন অবস্থান শক্তিশালী করতে এই সমরাস্ত্র আধিকারিক হবে। ট্রাম্প-ক্লাস যুদ্ধজাহাজ থেকে টাইফুন মিসাইল সিস্টেম পর্যন্ত প্রতিটি নতুন প্ল্যাটফর্ম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পরিবর্তন আনবে।
