খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান : ডিএসসিসি প্রশাসক
আলোচনা সভায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে
খ দ য ন র পত ত – খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার দরকার রয়েছে এমন আলোচনা সভা বুধবার রাজধানীর বিজয়নগরে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সমাজের সকল বিভাগের সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার সম্পূর্ণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে যদি ব্যবসায়ী, উৎপাদক, ভোক্তা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একত্রে কাজ করে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন ফুড সেফটি মুভমেন্টের প্রতিনিধিরা। এ মুভমেন্ট খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য বিশেষ করে সাবেক প্রশাসনের সাথে সহযোগিতা করে আসছে। প্রশাসক সালাম তোক মানুষের খাদ্য ব্যবস্থা পরিষ্কার করতে কেবল সরকারি কর্মসূচি যথেষ্ট নয়। তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সচেতন জনগণের প্রতি আশা রয়েছে এবং সামাজিক আন্দোলন হবে তার সফলতা নিশ্চিত করতে হবে।
খাদ্য ব্যবস্থার সর্বসাধারণ লোকের অংশগ্রহণ প্রয়োজন
খাদ্য নিরাপত্তার সমস্যার প্রধান কারণ হিসেবে জনগণের অজ্ঞতা উল্লেখ করে প্রশাসক তাঁর বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিদিন খাবার খাওয়া কাজে সামাজিক সচেতনতা খাদ্য নিরাপত্তা প্রতিক্রিয়া করতে পারে। তিনি দাবি করেন, খাদ্য সংক্রান্ত অপরাধ, ভেজাল এবং উৎপাদনের মান নিয়ন্ত্রণ এ বিষয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
সভায় খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত আরও বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, ক্ষেত্রে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একত্রে সমাধান খুঁজতে হবে। এ মুভমেন্ট হবে বিশেষ করে খাদ্য নিরাপত্তার উপর ভিত্তি করে জনগণের সহযোগিতার অপরিহার্য।
খাদ্য নিরাপত্তার মানে প্রতিদিনের খাবার খাওয়া। বিশেষ করে রাজধানীতে এ বিষয়ে প্রতিদিনের খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সামাজিক আন্দোলন করার মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তার স্থায়ী সমাধান খুঁজা হবে।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে এবং সমাজে প্রতিদিনের খাদ্য নিরাপত্তার মান বৃদ্ধি করতে প্রতিদিনের খাদ্য ব্যবস্থা পরিষ্কার করা প্রয়োজন। খাদ্য নিরাপত্তা মুখ্য উদ্দেশ্যে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে সংস্থাগুলো একত্রে কাজ করতে হবে
