নাঙ্গলকোটে হত্যা ঘটনা: যুবককে হাত-পা বেঁধে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল
ন ঙ গলক ট হ ত প – নাঙ্গলকোট হত্যা ঘটনার সংবাদ শুনামাত্র ঘটনার পরিস্থিতি উঠে আসে। কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় আব্দুল কাদের (২৩) নামে একটি যুবকের অর্ধগলিত মৃতদেহ খাল থেকে উদ্ধার করা হয়। তদন্তের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তিনি নিজ পরিবারের নির্যাতন ও মারধরের কারণে বাবা, মা ও ছোট ভাই সামনে আসেন। সোমবার সকালে খাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যেখানে তার দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার কারণে সন্ধান পাওয়া যায়।
হত্যার প্রক্রিয়া ও মরদেহের স্থানান্তর
তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে নাঙ্গলকোট থানায় কাজল বেগম জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়। তার দেওয়া তথ্য ও গোপন সূত্র একত্রে সূচিত করে যে আব্দুল কাদেরের হাত-পা বেঁধে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। মৃত্যু নিশ্চিত হলে তার মরদেহ পুকুর থেকে তুলে রান্নাঘরের মেঝের নিচে মাটি চাপা দেওয়া হয়। নাঙ্গলকোট থানার আরিফুর রহমান বলেন, মরদেহ প্রাপ্ত হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত চালায়।
আব্দুল কাদের গ্রেফতার করা হয়েছে যেখানে পানি ফেলে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশের সন্ধানে তিনি কুমিল্লার হেসাখাল ইউনিয়নের কুরকুটা গ্রামে লিটন (৪৮), কাজল বেগম (৪২) ও রাকিব হোসেন (২০) গ্রেফতার করে। আব্দুল কাদেরের পরিবার মৃত্যু ঘটনার পর নাঙ্গলকোটে হত্যা বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করে।
পুলিশের অভিযান ও অপরাধের প্রমাণ
নাঙ্গলকোট থানার তদন্তে জানা গেছে যে আব্দুল কাদেরের পরিবার হত্যার সাক্ষ্য লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিল। তারা হত্যার প্রমাণ নিশ্চিত করতে সক্ষম হন। নাঙ্গলকোট হত্যা ঘটনায় আব্দুল কাদেরের হাত-পা বেঁধে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলে তথ্য প্রকাশ করা হয়। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তার মরদেহ রাস্তার পাশের খালে ছোঁড়া হয়।
পুলিশের তদন্তের প্রমাণ অনুযায়ী আব্দুল কাদের পরিবার হত্যার পর সম্পূর্ণ মৃত্যু ঘটনা লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে। তার মরদে
