চীনের দুই সুপারট্যাংকার হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে
অবর দ ধ হরম জ প র – অবরুদ্ধ হরমুজ পার হলো চীনের দুই সুপারট্যাংকার, ছিল ৪০ লাখ ব্যারেল তেল। চীনের দুটি বিশাল তেলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি ঘিরে বিশাল আটকে থাকার পর বুধবার সফলভাবে সেই প্রণালি অতিক্রম করে তেল সরবরাহ করতে সক্ষম হয়। প্রসঙ্গে হরমুজ প্রণালি এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ চালনা প্রণালি হিসেবে অবিচ্ছিন্ন থাকার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি চেষ্টা করছে।
তেলবাহী জাহাজগুলি কীভাবে পার হয়েছে?
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, দুই জাহাজের নাম ‘ইউয়ান গুই ইয়াং’ এবং ‘ওশান লিলি’। হরমুজ প্রণালি অবরোধের সময় প্রতিটি জাহাজে আটকে ছিল প্রতিটি তেল এবং সংখ্যা অনুযায়ী, ‘ইউয়ান গুই ইয়াং’-এ তেল তোলা হয়েছিল গত ২৭ ফেব্রুয়ারি। তার পরদিন ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরু করে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে চীনের জাহাজগুলি বিশাল আটকে থাকার পর তারা কীভাবে পার হয়েছে তা সম্পর্কে ক্ষুদ্র বিবরণ প্রদান করে রয়টার্স।
যুদ্ধের আরম্ভের পর হরমুজ প্রণালি চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে গেলে দুই সুপারট্যাংকার সম্পূর্ণ আটকে থাকে। ইরানের পাল্টা সামরিক পদক্ষেপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি অচলাবস্থায় পড়ে। বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু তেলবাহী জাহাজ আটকে থাকে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বেড়ে যায়।
“যুদ্ধ আবার শুরু হলে আগের চেয়ে আরও বড় চমক অপেক্ষা করছে।” ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি সতর্ক করে বলেন। তিনি ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন সামরিক বিমান হরমুজ প্রণালি যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
প্রণালি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দর থেকে জাহাজ চলাচলে অবরোধ আরোপ করে। গত ৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই সমঝোতার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে। ইউরোপের কয়েকটি দেশ তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে প্রণালিটি আবার চালু করতে। হরমুজ প্রণালি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল
