অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা জন্য খনিজ নিশ্চিত করতে নতুন জোট
অর থন ত ও ন র পত – যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একমত হয়েছে বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহ নিয়ে প্রতিযোগিতা বাড়ানোর জন্য। এই সমঝোতা দ্বারা উভয় দেশ অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা জন্য খনিজ উৎসের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চাইছে। খনিজ উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নয়নের ওপর এই কাঠামোগত চুক্তি ভিত্তি করে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান নিরাপদ সরবরাহ করার প্রচেষ্টা হচ্ছে। এগুলো ব্যাটারি, ইলেকট্রনিক যন্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামে ব্যবহৃত হয়। চীনে বৈশ্বিক বিরল খনিজের প্রায় ৬০ শতাংশ রয়েছে এবং বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ প্রক্রিয়াজাতকরণও তার হাতে হয়। এ কারণে উভয় দেশ অপরিহার্য খনিজ ও বিরল ধাতু সরবরাহের ক্ষেত্রে বিকল্প উৎস গড়ে তুলার পরিকল্পনা করেছে।
খনিজ ব্যবস্থার ঝুঁকি কমানোর প্রয়োজন
যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে কৌশলগতভাবে সরবরাহ করা খনিজের ক্ষেত্রে পুরোপুরি আমদানি নির্ভরশীল। প্রায় ১২টি খনিজের ক্ষেত্রে আমদানির ওপর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ২৯টি খনিজের ক্ষেত্রে আধিপত্য থাকলেও অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সম্ভাব্য ঝুঁকি অনেক। এজন্য নতুন জোট গঠন করা হয়েছে যাতে সরবরাহ শৃঙ্খল স্থিতিশীল হয়ে ওঠে। ভারতের ক্ষেত্রে মনাজাইট খনিজের সরবরাহ প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ টন রয়েছে যা অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা জন্য গুরুত্বপূর্ণ উৎস। বিশেষ খনিজ করিডর গড়ে তোলার পরিকল্পনা এই সম্পদ কাজে লাগানোর জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিশ্ব খনিজ সম্পদের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা
বিশ্বের মোট বিরল খনিজের প্রায় ৬০ শতাংশ চীনে অবস্থিত। অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য এই একক নিয়ন্ত্রণ কমাতে বিকল্প উৎস খুঁজতে কাজ করছে ওয়াশিংটন। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ শুধু সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নয়, বরং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার ভারসাম্য সৃষ্টির প্রচেষ্টা। স্ক্যান্ডিয়াম, ইট্রিয়াম ও ১৫টি ল্যান্থানাইড মৌলের মধ্যে স্ক্যান্ডিয়াম খনিজ বিশেষ ভূমিকা পালন করে যা �
