স্বাস্থ্যমন্ত্রী কথোপকথন: আদ্দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করার ঘোষণা
আদ দ ব ন হ সপ ত – শনিবার দুপুরে নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত একটি আর্থিক সাহায্য বিতরণ অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন তাঁর মতবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, আদ্দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে মানুষের পেছনে ঘুরেছে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে ও আপনাদের দোয়ায় তাঁর পক্ষে কোনো লোভ হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমি যা করব, পূর্ণ সমর্থন দিবেন। আমি লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছি। জামায়াতের লোকেরা আদ্দ্বীন হাসপাতালকে বে-ইনসাফ বলেছে। তারা কয়েকটি টাকা না কম নিয়ে মানুষ বোকা বানায়। ছয়টি নবজাতকে মেরে ফেলছে। তবে ওরা এখন তাদের পক্ষে নানান কথা বলছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা দুর্নীতির উপরে থাকতে চাই। সরকারি সুবিধা পেতে কাউকে ঘুষ দিতে হবে না। প্রধানমন্ত্রী কড়া নির্দেশ দিয়েছেন সবাইকে দুর্নীতি থেকে বের হতে।
পাইলট প্রকল্প ও সুবিধা বিস্তার
তিনি জানান, পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে রোগীদের সেবা ব্যবস্থা পরিচালনা করা হবে। গ্রামে গ্রামে সেবা প্রদানের পর যদি প্রয়োজন হয় তবে হাসপাতালে চিকিৎসা প্রাপ্তি সম্ভব। এভাবে দেশব্যাপী সকল মানুষের জন্য চিকিৎসা প্রক্রিয়া সহজ করে তোলা হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, চায়নার সহযোগিতায় আমরা দুইটি বিশেষায়িত হাসপাতাল গঠন করছি। এখানে শিশু ও নারীদের জন্য বিশেষ সেবা ব্যবস্থা করা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মনোহরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সজীব মিয়া, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবদুল হান্নান প্রমুখ।
এসময় পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের দুই শতাধিক দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
টাইমস্ট্যাম্প বিবরণ
৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ৫২ মিনিট আগে | রাজনীতি ৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি ১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন ১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন ১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ৮ ঘণ্টা আগে
