ইরানে হামলা চালাতে সৌদি-কাতারকে ফুসলায় আমিরাত
ইর ন হ মল চ ল ত – ইরানের হামলা চালানোর বিষয়টি সংযুক্ত আরব আমিরাত নিয়ে নিখুঁত সমন্বিত সামরিক ক্রিয়া গ্রহণে সহায়তা করার জন্য প্রচেষ্টা করেছিল, কিন্তু সৌদি আরব ও কাতার তার পরিকল্পনার প্রতিক্রিয়া দেয়নি। এতে আবুধাবি এবং সামাজিক সহযোগিতার দূরত্ব অত্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। তেল এবং গ্যাস বিপণী প্রতি আমিরাতের নতুন নতুন বিপদ উপস্থিত হওয়ার কারণে তারা বিশ্বাস হারিয়েছে।
সামরিক অপারেশনের বিস্তার
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের আক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য একত্র হয়েছিল। তবে সৌদি আরব এবং কাতার তাদের সমর্থন দেওয়ার পরিবর্তে বিষয়টি পরিত্যাগ করেছে। আমিরাত তাদের দূরত্ব স্থাপনের পর হামলা চালানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সম্পূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক বিষয়টি ক্ষুব্ধ হয়ে ওপেক সদস্যপদ ত্যাগ করেছে।
ইরানের হামলায় আমিরাতের বন্দর, বিমানবন্দর এবং আবাসিক এলাকাগুলো বিপর্যয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাস উৎপাদন কমিয়ে দিতে হয়েছে। এতে আমিরাতের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিক্রমণ করে দাঁড়িয়েছে।
হামলার প্রভাব ও সমাধানের চেষ্টা
ইরানের হামলা চালানোর পর আমিরাত নিয়ে আপনাদের সম্পর্ক ভেঙে পড়েছে। মার্চ ও এপ্রিল মাসে আমিরাত এককভাবে হামলা চালায়, কিন্তু সৌদি আরবের সমর্থন ছিল না। কাতারের বৃহত্তম গ্যাস প্ল্যান্ট বিস্ফোটনের সম্মুখীন হওয়ার পর আমিরাত তাদের বিপদ কমাতে সংক্ষিপ্ত ক্রিয়া গ্রহণ করেছে।
আমিরাত এবং ইরানের মধ্যে বিস্তারিত ব্যবস্থাপনা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলা চালানোর পর আমিরাত তাদের সম্পর্ক ভেঙে পড়েছে। কিন্তু উপসাগরীয় দেশগুলো সেটি পুনরুদ্ধার করার জন্য চেষ্টা করেছে যাতে এর প্রতিক্রিয়া দেয়া হয়।
ইসরায়েলের সাথে আমিরাতের সামরিক সম্পর্ক আরও কাঠামো গঠন করেছে। ইতিমধ্যে ইসরায়েল তাদের নতুন ‘আয়রন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আমিরাতে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সেই সঙ্গে ইরানের হামলার প্রতি আমিরাত জরুরি প্রতিরোধ কার্যক্রম চালিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ভূ-রাজনৈতি এখন এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে আছে। দীর্ঘদিনের মিত্রদের মধ্যে অবিশ্বাসের দেয়াল গঠিত হয়েছে। ইরান হামলা চালানো পর উপসাগরীয় দেশগুলো পরিপূর্ণ ক্ষুব্ধ হয়ে আমিরাতের বিপর্যয় প্রতি সম্পূর্ণ ক্রিয়া গ্রহণ করার জন্য ক্ষুব্ধ হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করেছে। ইরানের হামলা চালানো পর তারা নতুন নতুন সম্পর্কের বিস্তার করতে বাধ্য হয়েছে। আমিরাত উপসাগরীয় দেশগুলো সহযোগিতা পরিষদের সদস্যপদ পর্যালোচনার ঘোষণা দিয়েছে। তার পর তারা নতুন �
