ঈদের ছুটিতে পর্যটকে মুখর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত
ঈদ র ছ ট ত পর যটক – কোরবানির ব্যস্ততা শেষে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পর্যটন কেন্দ্রটি ঈদের ছুটিতে ধীরে ধীরে জমে উঠতে শুরু করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটকদের পদচারণায় বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত প্রাণ ফিরে আসছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২৯ মে) সকাল থেকেই সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও দরিয়ানগর পয়েন্টে ব্যাপক পর্যটকদের উপস্থিতি দেখা গেছে।
ঈদের ছুটিতে এসে সমুদ্র দেখার জন্য পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসা পর্যটক সোহেল রানা বলেন, পরিবারের সাথে ছুটির আনন্দ কাটানোর জন্য কক্সবাজারে এসেছি। সন্তানদের সমুদ্রের দৃশ্য দেখে খুব উৎসুক রয়েছে। ছুটির সময় কাটানো সত্যিই উপভোগ্য বলে মনে হচ্ছে।
কুষ্টিয়া থেকে আসা পর্যটক নীলিমা আরও বলেন, কোরবানির ব্যস্ততা শেষে সবাই মিলে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ঘুরতে এসেছি। সমুদ্রের পরিবেশ, ঢেউ আর উৎসবমুখর আবহ আমাদের মুগ্ধ করেছে। পর্যটনসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের দ্বিতীয় দিন পর্যন্ত কক্সবাজারের প্রায় ৩০ শতাংশ হোটেল কক্ষ ভাড়া হয়েছে। যাত্রীদের আগমন বেড়ে চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন স্থানে লাইফগার্ড কর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে লাল পতাকা টাঙিয়ে সতর্কতা প্রচার করা হচ্ছে। লাইফগার্ড কর্মী জয়নাল আবেদীন বলেন, বিপদজনক স্থানগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সমুদ্রে নামার আহ্বান জানানো হচ্ছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান জানান, ঈদের ছুটিতে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ ও সাদা পোশাকের সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অবস্থান করছেন। হোটেল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ছুটির বাকি দিনগুলোতে পর্যটকের চাপ আরও বাড়তে পারে। তাই ভোগান্তি এড়াতে আগে হোটেল বুকিং করা উচিত।
সমুদ্রনগরী কক্সবাজার ঈদের দ্বিতীয় দিনে নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। নীল জল
