News

উত্তরের বেশির ভাগ চরে ছিল না ঈদ আনন্দ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1780256356-f27bb7b67d4fd1b1ab809aa200902dc2

ঈদের আনন্দ প্রায় নেই উত্তর র ব শ র চরে

Patrikajournal.com – উত তর র ব শ র ভ – উত্তর র ব শ র চরে সাধারণত ঈদ উৎসবের স্বচ্ছতা ও আনন্দ দেখা স্বাভাবিক। তবে এ বছর দেখা গেল চরে কৃষকদের সে আনন্দের অভাব। রংপুর অঞ্চলে পশ্চিম থেকে প্রায় ১২ লাখ কৃষি পরিবার রয়েছে যাদের মধ্যে অধিকাংশ চরাঞ্চলে বসবাস করে। গত বছর সাধারণত কোরবানি দিয়ে আয় করা হয়, কিন্তু এবার নদী গোড়ালি কারণে সে আয় কমে গেছে। তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদীর শত শত চরে কৃষি উৎপাদন বিপর্যস্ত হয়েছে এবং সে স্বচ্ছতা ও ঈদের আনন্দ নেই।

কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি ও আশঙ্কা

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধান এলাকায় কৃষক মকবুল হোসেন (৬৮) বলেন, এ বছর প্রতি মণ ধান উৎপাদনে খরচ হয়েছে প্রায় ৯৫০ টাকা। কিন্তু বিক্রি করতে হচ্ছে ৮০০-৮৫০ টাকায়। ধান, আলু ও ভুট্টার উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে চরে কোরবানি করার সামগ্রিক আয় কমে গেছে।

“বিপর্যস্ত উৎপাদন কারণে সরকার থেকে ১০ কেজি চাল পেয়েছি। সেটাই এখন আমাদের প্রধান ভরসা,” বলেন সাহেদা বেওয়া।

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা নদীর বুকে চর টেপামধুপুরের কৃষক আলী (৬৫) জানান, গত বছর গরু কোরবানি দিয়েছিলেন। কিন্তু এবার বাজার থেকে মাংস কেনার সামর্থ নেই। তিনি বলেন, “অধিকাংশ চরে কৃষিকাজের ফল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধান ও ভুট্টার দাম কমে গেছে। এ কারণে কোরবানি হয়নি।”

উত্তর র ব শ র চরে গোটাকতক কৃষক আশঙ্কা করছেন যে নদী ভাঙনের কারণে আনন্দ আন্দোলনের স্বচ্ছতা কমে গেছে। রংপুর অঞ্চলে প্রায় ৭০০টি চর রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর কুড়িগ্রামে প্রায় ৪৫০টি। প্রতিটি চরে বসবাস করে ১৫০-৫০০ পরিবার। কিন্তু গত বছর নদী গোড়ালি হওয়ার পর চরে পশু কোরবানি হয়নি বলে কৃষিপণ্যের দাম কমে গেছে।

উৎপাদনের মূল্য বৃদ্ধি ছাড়া কোরবানি নেই

কুড়িগ্রাম চর উন্নয়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, এ বছর নদী ভাঙন বৃদ্ধি পেয়েছে যা কৃষি উৎপাদনের মূল্য বৃদ্ধি ছাড়া অনেক চরে কোরবানি হয়নি। নদী গোড়ালি বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ আরও বেশি হয়েছে।

রংপুর অঞ্চলে অধিকাংশ চর কৃষি পণ্যের উৎপাদন কমে গেছে। ঈদ উৎসবের স্বচ্ছতা বিপর্যস্ত হয়েছে। কিছু কৃষক বলেন, “কোরবানি করার জন্য সামান্য আয় আছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি পণ্য ছাড়া সে আয় কমে গেছে।” ফলিমারীতে প্রায় ৩০০ পরিবার চরে বসবাস করে। কয়েকদিন ধরে নদী ভাঙনের আতঙক চরে ছড়িয়ে পড়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতির কারণে উত্তর র ব শ র চরে কৃষকদের উৎসবের স্বচ্ছতা থাকার আশা বিদ্রোহের স্বরূপ। এ বছর গত বছরের তুলনায় কোরবানি কমে গেছে। অনেক পরিবার চরে কৃষি পণ্যের উৎপাদন কমে গেছে এ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *