টিসিবিমুখী নিরুপায় মধ্যবিত্তরাও
এখন ট স ব ম খ ন – মানুষের দৈনিক খাদ্য খরচ বেড়েছে দুর্দান্ত ভাবে যাচ্ছে। বাজারে ডিম, ভোজ্যতেল, সবজি, মাছ এবং মাংস থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গেছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ এখন খাবারের জন্য আরো বেশি খরচ করছেন। তাই ক্রেতার চাপ বাড়ায় এবং পণ্যের সরবরাহ কম হওয়ায় অনেকে লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন।
বাজারে কোনো পণ্যে স্বস্তি না মেলায় কিছুটা সাশ্রয়ের আশায় অনেকের ভরসা এখন টিসিবির ট্রাকসেলে। এটি একটি অবসরপ্রাপ্ত উপায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই কার্যক্রম চলবে ১০ দিন। তিনটি পণ্যের প্যাকেজ কিনতে ক্রেতার খরচ হচ্ছে ৪৮০ টাকা যা বাজারে সাধারণত প্রায় ৭৩০ টাকা করে হয়।
টিসিবির কার্যক্রমে বিপর্যয় নেই
টিসিবির ডিলার ও ঝালকাঠী জেনারেল স্টোরের বিক্রেতা নওশাদ নাসির বলেন, ‘আজ পণ্য নিতে প্রচুর মানুষ এসেছিল। দুপুর ২টার মধ্যে সব পণ্য শেষ হয়ে যায়। আমরা ৪০০ জনের বেশি মানুষকে পণ্য দিতে পারিনি। অনেক মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েও প্রত্যাশিত পণ্য না পেয়ে ফিরে গেছেন। এতে আমাদের খারাপ লাগে। কিন্তু কিছু করার নেই। সরকারের কাছে অনুরোধ করা হচ্ছে এলাকাভেদে পণ্যের পরিমাণ বাড়ানো হোক।’
‘আগে বাজার থেকে যা কিনতাম, এখন তার অর্ধেকও কিনতে পারি না। সব কিছুর দাম অনেক বেশি। সংসার চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। তাই বাজারের চেয়ে কিছুটা কম দামে তেল, ডাল কিনতে এই লাইনে দাঁড়িয়েছি।’ – গৃহিণী শান্তা আক্তার
‘লাজ-লজ্জা রেখে কী হবে? সংসার চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। কিছু টাকা সাশ্রয়ের জন্যই লাইনে দাঁড়িয়েছি।’ – বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মরত রতন সরকার
‘দিনে যা আয় করি, তার বড় অংশ খাবারের পেছনে চলে যায়। বাজার থেকে দুই লিটার তেল কিনতে ৪০০ টাকা এবং দুই কেজি মসুর ডাল কিনতে ২২০ থেকে ২৪০ টাকার মতো লাগে। এখান থেকে দুই লিটার তেল ২৬০ টাকা এবং দুই কেজি ডাল ১৪০ টাকায় পাচ্ছি। টিসিবি না থাকলে পরিবার নিয়ে চলা আরো কঠিন হতো।’ – রিকশাচালক মো. বেলাল
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গত ১১ মে থেকে টিসিবি সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রতিদিন প্রতিটি ট্রাকসেল পয়েন্টে অন্তত ৪০০ জন ক্রেতার হাতে �
