এ বছর কোরবানিতে বিক্রি হয়নি প্রায় ৩০ লাখ পশু
এব র ক রব ন ত ব – কোরবানি উপলক্ষে ব্যবহারের যোগ্য পশুর প্রায় প্রতিমাসের চেয়ে বেশি সংখ্যা প্রস্তুত হয়েছিল, কিন্তু এবার কোরবানিতে বিক্রি হয়নি প্রায় ৩০ লাখ পশু। প্রতিমাস ভিত্তিক প্রস্তুত হওয়া পশু সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি, যার মধ্যে কোরবানি পরিচয় পেয়েছে ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি পশু। ফলস্বরূপ প্রায় ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি পশু বিক্রি হয়নি। এই ঘটনা পশু প্রতিবেশীদের ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিশেষ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
পশু কোরবানির সংখ্যা ও বিভাগের বিতরণ
বিভিন্ন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী কোরবানি বিষয়ক সংখ্যা পরিমাণ পরিচিতি করা হয়েছে। প্রাথমিক আন্দোলন হিসেবে ঢাকা বিভাগে কোরবানি পরিচয় পেয়েছে সবচেয়ে বেশি পশু, যেখানে সংখ্যা ছিল ২৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৬টি। রাজশাহী বিভাগে এর পর অবস্থান কোরবানি পরিমাণ ছিল ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৬৯টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫টি, রংপুরে ১০ লাখ ৫০ হাজার ৫৫৪টি, খুলনায় ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫টি, বরিশালে ৪ লাখ ১৬০টি, ময়মনসিংহে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮১৮টি এবং সিলেট বিভাগে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩২১টি। কোরবানি পরিমাণের বিস্তার অনুযায়ী ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগ প্রধানত মানুষের পশু চাহিদা পূরণে সাহায্য করেছে।
গতকাল সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ বৃহৎ বাহিনী অংশগ্রহণ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে কোরবানি পরিমাণের বিশ্লেষণের কথা বলা হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন বিভাগে কোরবানি ব্যবসায়ীদের ও খাদ্য আপালের ব্যবস্থাপনার কথা উঠেছে।
কোরবানি পরিমাণের উপর বিশেষ চিন্তা করা হয়েছে কারণ এই সংখ্যা একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকট তৈরি করেছে। প্রতিমাসে কোরবানি পরিমাণের বৃদ্ধির কারণে কোরবানি পশু প্রস্তুত করার চাহিদা মাত্রা আরও বেড়ে গেছে। সেই সাথে বিক্রি হয়নি পশুর সংখ্যার কারণে কোরবানি ব্যবসায়ীদের লাভের পরিমাণ কমে গেছে। এবং পশু ব্যবস্থাপনা ও উপযোগ বিষয়ে বিশেষ কার্যক্রম করা হবে।
এটি কোরবানি প্রতিবেশীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কোরবানি ক্ষেত্রে উপযোগী পশু বিক্রি করার জন্য বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করা হবে। সরকার এই সংকটকে সমাধান করতে বিভিন্ন উপায় প্রস্তুত করেছেন। এই সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন বিভাগে পশু প্রতিবেশীদের জন্য সমাধান করা হবে।
প
