বাংলাদেশের রপ্তানি খাত মূল্য ও পরিমাণে কমে চলছে
কম দ ম প শ ক ব – ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কম দামে বিক্রি করেও বাজারে হারাচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে ইইউতে দেশের রপ্তানি মূল্য কমেছে বলে জানা গেছে। এ সময়ে রপ্তানি মূল্য ২৮৯ কোটি ইউরো হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯.২৬ শতাংশ কম।
একই সময়ে রপ্তানি ভলিউমও কমেছে ১১.১৪ শতাংশ। এ প্রবণতা মাসভিত্তিক হিসাবে দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, কম দামে পণ্য বিক্রির প্রবণতা ছাড়াও উৎপাদন ব্যয়ের বৃদ্ধি কারখানাগুলোর মুনাফার উপর প্রভাব ফেলছে। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও শ্রম ব্যয় বেড়েছে বলে জানা গেছে।
ইউনিট মূল্য ও ভলিউম দুই সূচকে কমেছে
তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি মূল্য কমেছে ১২.৩৯ শতাংশ। রপ্তানি ভলিউম কমেছে ৩.৩০ শতাংশ। এতে কারখানাগুলো মুনাফা সংকুচিত হচ্ছে।
“বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতাদের সবচেয়ে বড় চাপ হচ্ছে মূল্য কমানো। কিন্তু উৎপাদন ব্যয় কমছে না। গ্যাস, বিদ্যুৎ, ব্যাংক সুদ ও শ্রম ব্যয় বেড়েছে। ফলে কম দামে রপ্তানি করতে গিয়ে কারখানাগুলোর মুনাফা মারাত্মকভাবে কমে যাচ্ছে,” বলেন বিজিএমইএর নেতা মহিউদ্দিন রুবেল।
রপ্তানি কাঠামো এখনো বেসিক পোশাকের ওপর বেশি নির্ভরশীল। ইউরোপীয় বাজারে মূল্য চাপ তৈরি হলে দেশের রপ্তানি আয় দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতার দর-কষাকষি বাড়ছে বলে জানা গেছে। উদাহরণ হিসেবে টি-শার্ট, ট্রাউজার ও সোয়েটারের ক্ষেত্রে দর-কষাকষি বেড়েছে।
“নিট পোশাক খাতে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ইউনিট প্রাইস কমে যাওয়া। অনেক ক্ষেত্রে আগের বছরের তুলনায় ৮ থেকে ১০ শতাংশ কম দামে অর্ডার নিতে হচ্ছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা দুর্বল থাকায় সেই ছাড় দিয়েও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ অর্ডার মিলছে না,” বলেন বিকেএমইএ এক নেতা।
পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে এ পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে। ভিয়েতনাম বা চীন উচ্চমূল্যের ফ্যাশন পণ্য, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল ও ম্যান-মেইড ফাইবারভিত্তিক পণ্যে বেশি গুরুত্ব দিয়ে বাজার বাড়াতে পারছে। তথ্য অনুযায়ী, চীন ইইউতে ৪২০ কোটি ইউরোর পোশাক রপ্তানি করেছে। এ সময় রপ্তানি মূল্য ৪.০১ শতাংশ কমলেও ভলিউম ১.৩৪ শতাংশ ব
