কারিগরি শিক্ষার শিক্ষক পদ শূন্য, ষষ্ঠ শ্রেণিতে আসছে নতুন বই
ক র গর ত ৮ হ জ – শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক ঘোষণা করেন যে দেশের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সারাদেশে অনুমোদিত শিক্ষক পদের সংখ্যা ১৫,৮৪৪টি, কিন্তু বর্তমানে সেগুলোর মধ্যে কেবল ৭,৭৪টি পদে কর্মরত শিক্ষক রয়েছেন। এতে শিক্ষক পদ শূন্য হয়ে রয়েছে ৮,৪৮৬টি।
বিগত শিক্ষাবর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে পিএসসি মাধ্যমে দুই হাজার ২০৪টি শূন্য পদে নিয়োগের সুপারিশ দেখা গেছে। যার জন্য সরকারি কর্ম কমিশনে রিকুইজিশন পাঠানো হয়েছে।
২০২৭ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন বই চালু হবে
সদস্যদের লিখিত প্রশ্নের জবাব টেবিলে উত্থাপন করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাধারণ ধারার শিক্ষার্থীদের জন্য ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘কারিগরি শিক্ষা’ নামক নতুন পাঠ্যপুস্তক চালু করা হবে।
নতুন বইটি শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্র, দক্ষতা বিকাশ এবং কর্মসংস্থান সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। সেই সাথে তাদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বিস্তারেও সহায়তা করবে বলে জানান মন্ত্রী।
আরও ঘোষণা করা হয় যে সেই পাঠ্যপুস্তকের সঙ্গে সাথে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের আনন্দময় ও সৃজনশীল শিক্ষা প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে আরেকটি বই চালু করা হবে। এটি উদ্ভাবনী চিন্তা ও বহুমাত্রিক প্রতিভার বিকাশে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বহুভাষিক শিক্ষা প্রকল্প চালু হয়েছে
পাহাড়ি অঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের ভাষাগত সীমাবদ্ধতা দূর করতে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, সাদরি ও গারো মাতৃভাষা ভিত্তিক বহুভাষিক শিক্ষা প্রকল্প শুরু হয়েছে। এতে আনুমানিক ৫টি ভাষার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান শুরু হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষা ও অন্য ভাষার ব্যবহার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে তাদের বিভিন্ন ভাষায় কথা বলার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে সম্পূর্ণ প্রতিভা বিকাশ ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সংখ্যা ও শ্রেণীবিভাগ
বর্তমানে দেশে কোটি হাজার শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করছে। এর মধ্যে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংখ্যা ৩০টি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১৮টি এবং প্রকৌশল, কৃষি, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ৮টি। এছাড়াও আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ২টি রয়েছে।
