নওগাঁয় কালবৈশাখী ঝড়ে বিস্তারিত ক্ষতি ঘটেছে
ক লব শ খ র ত ণ – কালবৈশাখীর তাণ্ডবে নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলায় শনিবার রাতে ভয়াবহ ঝড় আঘাত হানার পর ঘরবাড়ি, দোকানপাট এবং রাস্তার গাছগুলো ভেঙে পড়ায় সড়ক চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এখনও বিপর্যস্ত। ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক এলাকার কৃষকরা তাদের সম্প্রসারিত ধান ক্ষেত পানিতে ডুবে গেছে বলে জানাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গ্রামে ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং অনেক মানুষ অবাস্তব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ঘোষনগর গ্রামের কৃষক মমতাজ জানান, কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানার ফলে নজিপুর বাসস্ট্যান্ড বণিক কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং সহ-সভাপতি সাজেদুর রহমান দুলাল মাঠে ঘূর্ণিঝড় পরিদর্শন করেছেন। তাদের অনুসারে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো তদন্তের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধি সামনে এসেছেন। এই ঘটনার প্রতি আনুপাতিক ক্ষতি প্রতি দিন আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অবাস্তব ক্ষতি বৃদ্ধি পেয়েছে
হরিরামপুর মৌজার জুলফিকার আলী ঘটনাস্থলে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনি জানান, গত সপ্তাহে টিনের ঘর বেঁধেছিলেন কিন্তু কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ঝড় তাকে এক কূপ মুখে জড়িয়ে ফেলেছে। তাঁর ঘরটি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
কালবৈশাখী তাণ্ডবে নজিপুর পৌর এলাকায় প্রায় ৪০০ চালা ঘর ধ্বংস হয়েছে। সেখানে বিদ্যুত তারে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সেবা পুনঃপ্রস্থাপনের কাজ চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ঝড়ের আঘাতে ঘরে সম্পত্তির বিপর্যস্ত অবস্থা দেখা যাচ্ছে। কালবৈশাখীর তাণ্ডবে উপজেলা সদরে কিসমত মন্ডল বলেন, বৃহৎ কড়ই গাছ সড়কে পড়ে উপজেলার সম্প্রসারিত প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর পর কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতি ঘটেছে এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আবারও বিপর্যস্ত হয়েছে।
বিপর্যস্ত অঞ্চলের চারিদিকে অবস্থা
রাত ৩:৩৩ মিনিটের দ
