News

গোপন তথ্য ফাঁস: গ্রিনল্যান্ডে ‘চিরস্থায়ী’ সামরিক ঘাঁটি চান ট্রাম্প | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

গোপন আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: গ্রিনল্যান্ডে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি বাড়ানো হচ্ছে গ পন তথ য ফ স - গত চার মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে

Desk News
Published May 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Mary Davis - patrikajournal.com

গোপন আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: গ্রিনল্যান্ডে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি বাড়ানো হচ্ছে

Patrikajournal.com – গ পন তথ য ফ স – গত চার মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে গ্রিনল্যান্ড এবং ডেনমার্কের মধ্যে গোপন আলোচনা চালু রাখা হচ্ছে। এ আলোচনার ফলে বৈঠকের তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর জানা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসন গ্রিনল্যান্ড স্বাধীন হলেও সেখানে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য মার্কিন সেনার উপস্থিতি নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করছে। বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে আলোচনা চলছে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ন্যাটো জোটের উত্তেজনা কমানোর জন্য একটি কূটনৈতিক পথ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।

গ্রিনল্যান্ডের বাসিন্দারা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবগুলো দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব বৃদ্ধি করবে। তারা আশঙ্কা করছেন, এই পরিকল্পনা দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে অংশ নেবে। খনিজ সম্পদ ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষ করে টেল, ইউরেনিয়াম ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের ওপর আলোচনা চলছে। এদিকে পেন্টাগন সামরিক সম্প্রসারণ পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। সম্প্রতি দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডে একজন মেরিন কর্পস কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে। তিনি বিমানবন্দর, বন্দর ও সম্ভাব্য সামরিক অবস্থানের জায়গা পরিদর্শন করেছেন।

গ্রিনল্যান্ডে আর্কটিক অঞ্চলের মূল্যবান সম্পদ পরিচালনার চেষ্টা

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর অন্যতম প্রধান উপদেষ্টা মাইকেল নিডহ্যাম পর্দার আড়ালে পাঁচ দফা বৈঠক পরিচালনা করছেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক চুক্তি সংশোধনের প্রস্তাব চালিয়ে যাচ্ছে। সামরিক ঘাঁটি নিয়ে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখছেন। তবে গ্রিনল্যান্ডের কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব বৃদ্ধি করে দিতে পারে।

গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্ট সদস্য জাস্টাস হ্যানসেন বলেন, ‘আমেরিকানরা যদি তাদের চাওয়া সবকিছু পেয়ে যায়, তাহলে কখনোই সত্যিকারের স্বাধীনতা থাকবে না।’

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগের হুমকি দিয়েছিলেন গ্রিনল্যান্ডকে দখলে নিতে। কিন্তু ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন পরবর্তী সময়ে। তবুও গ্রিনল্যান্ডের ওপর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ট্রাম্প আগের মতো আগ্রহী। যুক্তরাষ্ট্র আর্কটিক অঞ্চলে আধিপত্য ধরে রাখার জন্য গ্রিনল্যান্ড গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিশেষ প্রশিক্ষণ মহড়া হিসেবে মূল্যবান ভূমি ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে।

পেন্টাগনের নর্দার্ন কমান্ডের প্রধান জেনারেল গ্রেগরি এম. গুইলোট বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মেরু অঞ্চলের বরফ গলছে। সঙ্গে সঙ্গে এই এলাকা আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক সংগ্রামের ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ডেনমার্কের সাথে চলমান আলোচনার মাধ্যম

Leave a Comment