চামড়া পাচার ও চোরাচালান ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা
ঈদুল আজহার উপলক্ষে চামড়া পাচার বিরুদ্ধে কার্যক্রম গুরুতর করা হয়েছে
চ মড প চ র ও চ – ঈদুল আজহারের উপলক্ষে বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণে কোরবানির পশু সামগ্রী প্রস্তুত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে চামড়া পাচার ও চোরাচালান রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের সতর্কতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে যশোর ও খুলনার সীমান্ত এলাকায় সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়করা। তাদের কথায়, পশু কোরবানির পর উৎপাদিত চামড়া ভারতে পাচার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে বলে সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে।
অধিনায়কদ্বয় জানান, সীমান্ত এলাকায় পশু কোরবানি ও চামড়া পাচারের ক্ষেত্রে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ ও বিএসএফ সঙ্গে সম্মেলনের মাধ্যমে চোরাচালান বিপদ থেকে সীমান্ত সুরক্ষিত করার প্রচেষ্টা চলছে। গৃহীত কার্যক্রমে স্থানীয় মানুষকে সচেতন করার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে এবং সরাসরি পরিদর্শনের মাধ্যমে সীমান্তের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
যশোরের শার্শা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় চামড়া পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ পথ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কাশিপুর, শালকোনা, শিকারপুর, ধান্যখোলা ও রঘুনাথপুর সহ অন্যান্য স্থানগুলোতে অতিরিক্ত নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সূত্রে জানা থাকা অনুযায়ী, এ এলাকাগুলোতে চামড়া পাচার বিপদ সামান্য করে সামগ্রী সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রবৃদ্ধ করা হয়েছে।
বিজিবি কর্মকর্তারা আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় চামড়া পাচার ও চোরাচালান রোধে বিশেষ ক্রিয়াকলাপ চলছে। পুলিশের সহযোগিতায় সীমান্ত রক্ষাকর্মীদের প্রশিক্ষণ ও সমন্বয় করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে আরও বলা হয়, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে।
যশোর ও খুলনা সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের পাচার কার্যক্রম বন্ধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যবস্থার ফলে চামড়া পাচারের সম্ভাবনা কমে আসছে। সরাসরি পর্যবেক্ষন ও ক্রমাগত নজরদারি বিজিবি কর্মকর্তারা তীব্র বৃদ্ধি করেছেন। অতিরিক্ত টহল ও অপারেশন পরিচালনা করা হচ্ছে যাতে চোরাচালান ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু হয়।
পুলিশ ও বিজিবি কর্মকর্তারা আরও জানান, চামড়া পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে প্রতিদিন ক্রমাগত নজরদারি ও গুরুতর কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। বিশেষ করে ঈদুল আজহার উপলক্ষে বৃহত্তর সামগ্রী পরিবহন বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকায় সীমা�
