বাংলা-শেপ প্রকল্পে ক্ষুদ্র কৃষকদের আয় বৃদ্ধি হয়েছে
জ ইক ড এই র ব ল – বাংলাদেশে জাইকা ও ডিএই পরিচালিত ‘বাংলা-শেপ’ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বার্কের মিলনায়তনে ফলাফল এবং পর্যালোচনা কর্মশালার আয়োজন করা হয়। প্রকল্পটি ক্ষুদ্র কৃষকদের বাজারের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করতে উৎসাহিত করে। এই পদ্ধতি সাধারণ কৃষকের পরিবর্তে বিক্রির জন্য প্রথমে উৎপাদন করা কৃষকদের একটি বৈকল্পিক পদ্ধতি হিসেবে চালু করেছে।
প্রকল্পের উদ্যোগ ও কার্যক্রম
বাংলা-শেপ প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছেন অধিকতর ২ হাজার ৮১৪ জন কৃষক। তাদের মধ্যে বেশির ভাগ নারী কৃষক রয়েছেন। প্রকল্পের অংশ নেওয়ার ফলে কৃষকদের গড় আয় প্রায় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎপাদন ও বিক্রির জন্য সম্পূর্ণ নতুন সমন্বয় করা হয়েছে, যা আয়ের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে। কৃষকদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন ও প্রকল্পের দিকনির্দেশনা বৃদ্ধি করে বাংলা-শেপ প্রকল্পের একটি প্রধান লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে কৃষকদের অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকল্পের ভিত্তি হল চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন ও বিক্রির মধ্যে সমন্বয়। এই পদ্ধতিতে কৃষকদের অতিরিক্ত বিক্রির সুযোগ পেয়েছেন। সাধারণ কৃষক তাদের ফসল বিক্রির আগে গ্রাহকদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়। এর ফলে কৃষকদের উৎপাদন সম্পর্কে নির্ভরশীলতা কমে গেছে।
জাইকা বাংলাদেশের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ টাকাহাশি জুনকো উল্লেখ করেন যে প্রকল্পটি কৃষকদের আয় ও জীবন মানে ধনাত্মক প্রভাব ফেলেছে এবং তাদের চিন্তাধারায় পরিবর্তন ঘটিয়েছে। এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।
প্রকল্পে এখনও পরিচালনার পরিবর্তন চলছে। ক্ষুদ্র কৃষকদের অনুপ্রাণিত করা হয়েছে যাতে তারা বাজারের চাহিদার ভিত্তিতে ফসল উৎপাদন করতে পারেন। এটি কৃষকদের বিপণীত ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং তাদের জীবিকার গুণগত মান উন্নয়ন করে। প্রকল্পটি বাংলাদেশে জাইকা-ডিএই র ব ল প্রতিষ্ঠা করে জনগণের সম্মান প্রতিষ্ঠা করছে।
প্রকল্পটি সম্পূর্ণ করার পর ক্ষুদ্র কৃষকদের উৎপাদন সম্পর্কে নতুন অর্থনৈতিক পদ্ধতি প্রবর্তন করেছে। বাংলা-শেপ প্রকল্পে এখন বিক্রির জন্য উৎপাদন করার দিকে ধাক্কা দিয়েছে যা কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করেছে। এই প্র
