ফুটবলে পুরুষ ও নারী দলের মানের পার্থক্য যৌক্তিক নয়
জ ম লদ র প র ত – বাংলাদেশে ফুটবল খেলার মানে পুরুষ এবং নারী দলের মধ্যে বেশ বড় একটি অসমতা রয়েছে। অনেকে মনে করেন সেই পার্থক্য তুলনামূলক ভাবে নির্বিশেষে রয়েছে। পুরুষ দলের দক্ষতার কারণে বিশ্বে ফুটবলের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ছাড়া নয়। তারা সবসময় ভারতে নারী দলের পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষনে রয়েছে। অথচ মেয়েদের দলের অবস্থা কিছুটা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে না।
পুরুষ দলের সফলতা ও অসম্পূর্ণতা
১৯৯৫ সাল থেকে পুরুষ জাতীয় দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতার সাথে যুক্ত হয়েছে। তারা কিন্তু দুর্দান্ত সফলতা অর্জন করেছে না। চ্যাম্পিয়ন হয়েছে একবার। ২০০৩ সালে ঢাকায় ফাইনাল খেলে মালদ্বীপকে পরাজিত করে সেই শিরোপা অর্জন করেছিল আমিনুল হকদের। গত দশ বছরে তাদের সাফল্য কোনো একটি মাঝারি স্তরে থাকছে।
তাহলে কেন খেলছে? সত্যি বলতে কি পারফরম্যান্স যাচাই করতে।
অন্যদিকে নারী দল বর্তমানে একটি পরিবর্তন ঘটেছে। গোয়ায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জাতীয় দল আগে থেকে কঠিন ছিল বলে মনে হত। কিন্তু এখন নারী ফুটবলারদের নাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বেশি। সাগরিকা, সাবিনা, ঋতুপর্ণা, তপুরা, মারিয়া মান্ডা এবং প্রীতি নাম বাংলাদেশে বেশি আলোচনার বিষয়। নারী দল এই দশকে চারবার ফাইনাল খেলেছে এবং তিনবার শিরোপা অর্জন করেছে।
উত্থান এবং সংগ্রাম
বাংলাদেশে নারী ফুটবলে আগে খবর ছিল না। মেয়েদের বলে লাথি মারতে জানত না বলে তাদের প্রাপ্তি কিছুটা আসলে ঘটছে। অতুলনীয় দেখা যায় যে মেয়েদের ক্ষেত্রে সামান্য ব্যয় করে ক্যাম্প চালানো হয়। পুরুষদের মতো বড় অঙ্কে পারিশ্রমিক পেতে পারে না তারা। তবুও নারী দল সামনে যাচাই করছে তাদের প্রতিযোগিতার বিষয়টি।
পুরুষদের দল বর্তমানে বিদেশি কোচ এবং প্রবাসী খেলোয়াড় ব্যবহার করছে। সেই সাথে বড় অঙ্কে ডলার খরচ হচ্ছে। এ বিষয়ে নারী দল অনেক পরিমাণে অসম্পূর্ণতা অনুভব করছে। তবু তাদের দল শিরোপা পেলেও অবহেলার অভাব আছে।
পার্থক্য স্পষ্ট হয়েছে। সান মেরিনোয় পুরুষ দল খেলছে। তারা বিশ্বকাপে লড়াই করেছে। কিন্তু নারী দল বিশ্বকাপে নাম উঠতে পারে না। আজ সান মেরিনো বিপক্ষে লড়ছে জামাল ভূঁইয়াদের নারী দল। যেখানে প্রীতি মারিয়া মান্ডাদের ফাইনালে আছে বলে বিশ্বাস করছেন। সেই মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে তারা হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হবে।
বিশ্বাস করছে বলা যায় যে পুরুষ দলের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ �
