News

‘জিরো টলারেন্স’ নীতি চায় ১৫৬ সংগঠন | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

১৫৬টি সংগঠন জিরো টলারেন্স নীতির আহ্বান জ র টল র ন স ন - বাংলাদেশে নারী ও শিশু অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করছে ৬৪টি জেলা থেকে আসা সংগঠন ও প্ল্যাটফর্ম সংখ্যা ১৫৬ এর

Desk News
Published May 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

১৫৬টি সংগঠন জিরো টলারেন্স নীতির আহ্বান

জ র টল র ন স ন – বাংলাদেশে নারী ও শিশু অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করছে ৬৪টি জেলা থেকে আসা সংগঠন ও প্ল্যাটফর্ম সংখ্যা ১৫৬ এর সংখ্যা। এগুলো সহিংসতা, ধর্ষণ এবং যৌন নির্যাতের সাথে হত্যাকাণ্ডের বৃদ্ধির প্রতি গভীর কামনা প্রকাশ করেছে এবং প্রতিটি ঘটনাকে জাতীয় জরুরি ইস্যু হিসেবে ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছে। জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে এবং বিচার ট্রাইব্যুনালের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে হবে বলে তাদের দাবি। এই নীতি অনুসারে যেকোন ঘটনার মুখোমুখি করার জন্য সরকারের দায়িত্ব আছে এবং তা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জিরো টলারেন্স নীতির প্রয়োজনীয়তা

গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই সংগঠনগুলো তাদের দাবি বিস্তারিত করে। সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়েছে যে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে অপরাধের বিরুদ্ধে সর্বতোভাগ্য ক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। এই নীতি অনুসারে যে কোন ঘটনার সংঘটনের মুখোমুখি করার জন্য বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ পারদর্শী হতে হবে। সাক্ষী প্রদানের প্রক্রিয়া যুগোপযোগী করে এই নীতি চালু করতে হবে এবং জিরো টলারেন্স নীতি অনুযায়ী সম্প্রতি সংঘটিত হয়র নির্যাতের মামলাগুলো দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া চালু করতে হবে। এটি আরও বেশি নির্যাতের বিরুদ্ধে সামগ্রিক সংস্করণ তৈরি করার দরকার আছে।

প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক বলেন, জিরো টলারেন্স নীতি অনুসারে প্রতিটি নির্যাতের ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করতে হবে। সরকারের কাছে জিরো টলারেন্স নীতি প্রবর্তন অপরাধ রোধ করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া যুগোপযোগী করে স্থায়ী সমাধান করতে হবে।

সংগঠনগুলো জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে ভূমিকা পালন করতে অনুরোধ করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী দেশে যৌন হয়র নির্যাত ও ধর্ষণ ঘটনা সংঘটিত হয় রে নীতি অনুসারে অপরাধী সম্পর্কে সঠিক তথ্য তুলে ধরা এবং প্রতিটি মামলার উপর নিষ্পত্তি দেওয়া দরকার। তাদের মতামতের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সংস্কৃতি ও শিক্ষা দ্বারা সংঘটনের প্রতি গৃহীত হত্যাকাণ্ডের বৃদ্ধি রোধে সামগ্রিক সমাধান আসা দরকার। তবে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা যাবে যদি সরকার সম্মান ও সঠিক ব্যবস্থা করে।

বিচার ট্রাইব্যুনাল এবং জিরো টলারেন্স নীতি সংঘটিত হয়র নির্যাতের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ

Leave a Comment