‘জেরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে অগ্নি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে’
জ র ব দ য ৎক ন – বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ঘোষণা করেন যে নারায়ণগঞ্জের জেরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে ঘটে এ অগ্নি দুর্ঘটনার সত্যিকারো কারণ খতিয়ে দেখা হবে। ঘটনার খবর পেয়ে তিনি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা ঘাটে যান এবং আহতদের চিকিৎসা কর্মসূচি নিয়ে কথা বলেন।
বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার শিল্পনগরীতে অবস্থিত জেরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে একটি গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনায় ক্যান্টিনে উপস্থিত প্রায় ১২ জন কর্মচারী আহত হন। সহকর্মীরা দগ্ধদের দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি আহতদের চিকিৎসার খবর নিতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে যান। আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসার বিষয়ে সরকারের সম্পূর্ণ সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন এবং তাদের পরিবারের ধৈর্য ধারণের প্রতি অনুরোধ জানান।
দুর্ঘটনার বিবরণ
অগ্নি দুর্ঘটনাটি ক্যান্টিনে খাবার খাওয়ার সময় ঘটে। কর্মকর্তারা দুপুরে খাদ্য সেবন করছিলেন যখন হঠাৎ ক্যান্টিনের ভিতরে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কর্মচারীদের হাত, মুখ এবং পা পুড়ে যায়। দগ্ধরা হলেন- নাজমুল শেখ (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), আমির (২৫), শঙ্কর (২৫), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), আল আমিন (৪০), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২) ও বদরুল হায়দার (৫০)। তাদের দগ্ধের মাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত দগ্ধ হওয়ায় তিনজনকে আইসিইউ ও এইচডিইউতে রাখা হয়েছে।
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান যে ঘটনার পর চিকিৎসা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। সব ক্ষেত্রে আহতদের চিকিৎসার জন্য সরকার সম্পূর্ণ সমর্থন প্রদান করছে।
৮ মিনিট আগে | নগর জীবন ১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন ২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ ৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন ৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন ৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন ৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন ৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন ৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস ৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ৮ ঘণ্টা
