টাকার লোভে সন্তান বিক্রি, বাবা গ্রেপ্তার
ট ক র ল ভ সন ত – নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিদিন পুলিশ কমিশনারেট থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞতিতে জানানো হয়েছে যে একটি মাদক ও অনলাইন জুয়া চক্রে জড়িত বাবা টাকার লোভে নিজের দুই শিশুকে বিক্রি করার চেষ্টা করেছিলেন। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মেজবাহ উদ্দিন (৪০), যিনি আরিয়ান (৫) ও আবদুর রহমান জুবায়েতকে (২৮ দিন) উদ্ধার করেছেন। তিনি প্রাথমিক তদন্তে তার দুই ছোট মেয়েকে বিক্রি করার বিষয়ে স্বীকার করেছেন, যা চার-পাঁচটি পূর্ববর্তী বিয়ে এবং টাকার লোভে সন্তান বিক্রি এর সাথে যুক্ত ছিল।
বিক্রি করা সন্তানদের উদ্ধার প্রক্রিয়া
নারায়ণগঞ্জ পিবিআই পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ এর বিজ্ঞতিতে জানানো হয় যে এ ঘটনায় মানব পাচার চক্রে তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মেজবাহ উদ্দিন আরও একটি মূল হোতা এমদাদুল হক রাব্বানী (২৩) এবং নুর-ই-নাসরিন (২৯) রয়েছেন। পিবিআই পুলিশ সদস্যদের বিশেষ করে টাকার লোভে সন্তান বিক্রি এর প্রতিকূল চক্রে জড়িত তিন সদস্যকে সম্পূর্ণ গ্রেপ্তার করেছে এবং তাদের প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে।
বাবার কার্যক্রম এবং জুড়িত হোতার ভূমিকা
টাকার লোভে সন্তান বিক্রি করার ঘটনাটি অনুমান করা হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঘটেছে। মেজবাহ উদ্দিন কার্যক্রমে নিজের দুই শিশু নিয়ে বাবা হিসেবে যুক্ত ছিলেন এবং এ প্রক্রিয়াটি আদালতে তথ্য প্রমাণের মাধ্যমে স্বীকৃত হয়েছে। যার পরিণতি হিসেবে পিবিআই পুলিশ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে এবং মানব পাচার এ ঘটনা আরও গুরুতর হয়ে উঠছে।
“আমাদের মেজবাহ উদ্দিন ছোট বাচ্চাদের বিক্রি করার জন্য বিশেষ করে টাকার লোভে সন্তান বিক্রি করেছিলেন। আমরা তাদের সাথে প্রতিকূল গোলাপুত্র ও জুয়া চক্রে যুক্ত করেছি কারণ তিনি বিয়ে ও অপরাধের সাথে সামান্য সম্পর্ক রেখেছেন,” বলেছেন পিবিআই পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ।
নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে নেয়া শিশুদের উদ্ধারে কমপক্ষে দুই ঘটনা ব্যবহার করা হয়েছে। পিবিআই পুলিশ সদস্যদের টাকার লোভে সন্তান বিক্রি করার ঘটনার সাথে জড়িত একটি সূচনা করেছেন এবং তারা তিন সদস্যকে আদালতে হাজির করেছে। কার্যক্রমে মানব পাচার এ ঘটনা গুরুতর হয়ে উঠছে এবং এটি একটি সামাজিক সমস্যার প্রতিনিধিত্ব করছে।
তদন্ত প্রক্রিয়ায় বিশেষ করে টাকার লোভে সন্তান বিক্রি এ প
