হকারদের জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উচ্ছেদ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে
শিমরাইল মোড় থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদের কাজ শুরু হয়েছে
ঢ ক চট টগ র ম মহ – বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় নারায়ণগঞ্জ জেলার শিমরাইল মোড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অপারেশনে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর মো. ওমর ফারুক এবং রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের সদস্যরাও অংশ গ্রহণ করেছেন। অভিযানের পরিচালনায় ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আহসান উল্যাহ মজুমদার।
ঈদ উপলক্ষে দোকানদারদের সময় সুবিধা দেওয়া হয়েছে
শিমরাইল মোড়ের স্থানীয় হকারদের জন্য প্রতিবেদন অনুযায়ী উচ্ছেদের সময় সরাসরি ঘোষণা করা হয়নি। তাদের মালামাল সংরক্ষণের জন্য কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছেন যে সময় বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত বিস্তারিত হবে। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রস্তুত হচ্ছে।
শিমরাইল মোড় স্থানে প্রতিবেদন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হকারদের দোকানগুলি সংরক্ষণ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করেছেন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বিভাগ কর্তৃপক্ষ। আনসার, রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ একত্রে কাজ করেছে।
ঘোষিত সময়ের মধ্যে সবার নিরাপত্তি ব্যবস্থা
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবৈধ দখল উচ্ছেদের জন্য নির্ধারিত সময় হলো এক দিন। এ সময় হকারদের দোকানগুলি বিস্তারিত বিষয়ে তথ্য দেওয়া হবে। অভিযানে র্যাব ও ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারাও অংশ গ্রহণ করেছেন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সংকট সৃষ্টির সম্ভাবনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই অপারেশন চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে সড়ক পরিচ্যুতি ও পরিবহন স্থিতিশিল রাখার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ একত্রিত হয়েছে।
অভিযানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য
অভিযানটি পরিচালনা করা হয়েছে পরিবহন ও সড়ক বিভাগের আওতায়। এই কার্যক্রমে বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে সময়ের মধ্যে ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ। প্রতিবেদন অনুযায়ী ঘোষিত সময় অনুযায়ী অনেক স্থানে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এখনও বিস্তারিত কাজে জড়িত রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে দোকানদারদের জন্য উচ্ছেদের সময় ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন, নারায়ণগঞ্জ জেলার শিমরাইল মোড় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ঘোষিত সময় রয়েছে।
ঈদ উপলক্ষে হকারদের জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক উচ্ছেদ সময় বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হয়েছে। অভিযানে অংশ নেয় প্রতিবেদন অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে সংকট হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিবহন ব্যবস্থা স্থিতিশীল করা হবে। এ অভিযানে বিভিন্ন স্থানে অবৈধ দখল বাবদ ঘোষণা করা হয়েছে।
