প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য: তিস্তা ও পদ্মা ব্যারাজে কাজ বিএনপি সরকারের হাতে পড়বে
ত স ত ব য র জ – বুধবার দুপুরে গাজীপুরে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে ভিডিও শুরু করার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকারই পদ্মা ব্যারাজের কাজে হাত দেবে। ইনশাল্লাহ তিস্তা ব্যারাজেও তাদের হাত দেবে। সমাবেশে তিনি আরও বলেন, এখন কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি। তাই কাজ ও ডেলিভারি করেছে বিএনপি সরকার।
ব্যারাজ কার্যকলাপ ও পানি সংকট
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের প্রয়োজনীয় ভূমিকা থাকবে। বিশেষ করে রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে ব্যারাজ তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, বার্ষিক মৌসুমে পানি কম পাওয়া হচ্ছে। ফলে খরা মৌসুমে জনগণ ও কৃষকদের জন্য পানি সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ফারাক্কা বাদ হওয়ার কারণে সমুদ্রের পানি দক্ষিণ অঞ্চলে ঢুকছে। সুন্দরবনসহ এই অঞ্চলগুলোতে লবণাক্ত পানি বেশি চলে আসায় গাছপালা ও পশু বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। ফলে ব্যারাজ নির্মাণে আমরা সম্পূর্ণ প্রয়োজনীয় সমাধান খুঁজছি। বর্ষার বাড়তি পানি ধরে রাখব এবং খরা মৌসুমে সেটি কাজে লাগবে।
আবহাওয়া পরিবর্তন ও কৃষি সংকট
প্রধানমন্ত্রী কার্যকলাপে আবহাওয়া পরিবর্তনের কথা বলেন। তিনি আরও জানান, এখন জানুয়ারিতে শীত কম হয়। স্কুলে পড়ার সময় শীত কম পড়ত না। সেই কারণে এখন পানি নেমে আসছে মাটির গভীরতর স্তরে। ক্যান্টনমেন্ট ও গুলশান এলাকায় ছোট বেলায় পানি কম গভীরে ছিল। কিন্তু এখন প্রায় ৬০০-৭০০ ফিট গভীরে পানি খুঁজতে হচ্ছে কৃষকদের। ফলে নিচে থেকে আস্তে আস্তে পানি শূন্য হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আজকে এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য দুটি। এখন ভূমিকম্প হোক বা জলোচ্ছ্বাস, আমরা সম্পর্কে গবেষণা করব এবং ক্ষতির প্রতি সচেতন হব। আমরা শুধু মানুষকে সচেতন করব না, নিজেদের ও সচেতন হব।’
খাল খনন কর্মসূচি ও সম্পদ রক্ষা
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মানুষ ও কৃষি কাজ ব্যাহত হচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে যাওয়ার কারণে। তিনি বলেন, এই কাজে মানুষের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। তাই আমাদের খাল খনন কর্মসূচি শুরু করতে হবে। প্রতিষ্ঠানটি তৈরি হওয়ার পর আবহাওয়া পরিবর্তন সম্পর্কে গবেষণা করা হবে। কিছুদিন আগে পত্রিকায় দেখেছি কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের স্থান তৈরি করার কারণে গাছপালা কেটে ফেলতে হবে। তার পর মন্ত্রীকে ফোনে জানান যে গাছ না কেটে কাজ ক
