ত্বকের প্রয়োজন যেমন টোনার
ত্বক সুন্দর করার মূল কাজগুলো
ত বক র প রয় জন য – সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর ত্বক পাওয়ার জন্য ক্লিনজিং, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিং তিনটি প্রধান ধাপ পালন করা প্রয়োজন। সঠিক ক্রমে এগুলো মানলে ত্বকের গুণ স্বাভাবিকভাবে উন্নত হয়। কিন্তু বেশির ভাগ সময় ক্লিনজিং এবং ময়েশ্চারাইজিং তো সম্পূর্ণ করা হয়, টোনিংকে এড়িয়ে যাওয়া হয়। এটি ত্বকের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণের জন্য অপরিহার্য।
টোনিং এর বিশেষ গুণ
টোনার ত্বকে গভীরভাবে পরিষ্কার করে, অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ প্রক্রিয়া বাড়ায় না। এটি রোমকূপ সংকুচিত করে ব্রণের ঝুঁকি কমিয়ে আনে। ত্বকের বাড়তি পুষ্টি সরবরাহ করে এবং পিএইচ ব্যালান্স রক্ষা করে। যারা ত্বক সংবেদনশীল তাদের জন্য প্রোডাক্ট ব্যবহারে খেয়াল রাখা প্রয়োজন।
বাজারে নানা ধরনের টোনার পাওয়া যায়। বিউটি প্রোডাক্ট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ত্বকের ধরন বুঝে টোনার তৈরি করে। তাদের বিশেষজ্ঞদের মতে ঘরোয়া পদ্ধতির টোনার হলো মানসম্মত বিকল্প।
তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে টোনার
তৈলাক্ত ত্বকে ময়লা বেশি দ্রুত জমে। তাই এ ধরনের ত্বকে নিয়মিত টোনার ব্যবহার করা প্রয়োজন। একটি সহজ ঘরোয়া টোনার তৈরি করতে পারেন বেকিং সোডা এবং গোলাপজলের সমন্বয়ে। ১ চা চামচ বেকিং সোডা ও ২ চা চামচ গোলাপজল মেশানোর পর তুলো দিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন। এরপর ৫ মিনিট অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুইবার ব্যবহার করলে ত্বক উজ্জ্বল ও নরম দেখায়।
শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে টোনার
শুষ্ক ত্বকের ঝামেলা কম হলেও ত্বকে আর্দ্রতা না থাকায় বার্ধক্য ও বলিরেখা দ্রুত হতে পারে। এ ধরনের ত্বকে ঘরোয়া টোনার হলো সর্বোত্তম বিকল্প। ১ চা চামচ গ্লিসারিন ও ৪ চা চামচ গোলাপজল মেশানোর পর তুলো দিয়ে এটি মুখে লাগান। ১০ মিনিট রেখে পরিষ্কার করার পর ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। রোজ দুইবার করে টোনার ব্যবহার করতে পারেন
