সরকার তড়িঘড়ি করে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করবে না: অর্থ উপদেষ্টা
অর্থ উপদেষ্টার আবেদন এবং সরকারের কর্মপ্রণালী
তড় ঘড় কর অপ রয় জন য় – তড় ঘড় কর অপ রয় জন প্রকল্প নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে রাশেদ আল মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার কোনো অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প তড়িঘড়ি করে গ্রহণ করবে না। তিনি জানান, প্রকল্প কর্মসূচি থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সব ধাপে স্বচ্ছতা ও দায়িত্ব বজায় রাখা হবে। এ সিদ্ধান্তের প্রতি সংশ্লিষ্ট সবাই অবহিত হবে এবং ব্যবহারের সংখ্যা কমানো হবে।
তিনি আরও বলেন, গত কালে প্রকল্প কর্মসূচি দুর্নীতি প্রতি সামনে আসছিল। কোনো কারণ ছাড়া প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ ছিল। এ কারণে বালিশকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটেছে। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বেড়েছে, যা মেটাতে গিয়ে দেশের অর্থনীতি ঋণের চাপে পড়েছে। তিনি জানান, সরকার এখন পরিষ্কার প্রকল্প কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিয়মিত সংশ্লিষ্ট পক্ষ সহ সংলাপ করছে।
অর্থনীতি উন্নয়ন ও স্বচ্ছতা বিষয়ক পরিকল্পনা
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা দাবি করেন, তড়িঘড়ি করে প্রকল্প গ্রহণের প্রবণতা দুর্নীতি বৃদ্ধি করে। তিনি বলেন, আগামী সালের মধ্যে অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারের মাপাক্ষ গড়তে নীতি কৌশল প্রণয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তার কথায়, এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সবাই জানার জন্য তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা হবে।
প্রকল্প পরিকল্পনার স্বচ্ছতা বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বালিশকাণ্ডের পরিস্থিতি সরকারের কাছে প্রকল্প গ্রহণের প্রক্রিয়া পরিষ্কার করার প্রয়োজনীয়তা বুঝিয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। এ কাজে সরকার সংশ্লিষ্ট সংস্থার সাথে সংযুক্ত হবে।
অর্থ উপদেষ্টা মন্তব্যে বলেন, দেশে প্রকল্প গ্রহণের স্বচ্ছতা দিয়ে সংস্থাগুলো সংকট থেকে বাঁচবে। এ প্রক্রিয়ায় সরকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠা করবে। তিনি আরও জানান, নতুন প্রকল্পগুলো মেটাতে গিয়ে দেশের অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে।
বালিশকাণ্ডের মতো ঘটনার পরিণতি সরকারকে সতর্ক করেছে যে, তড়িঘড়ি করে প্রকল্প গ্রহণের প্রবণতা দুর্নীতি বৃদ্ধি করছে। অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সরকার এখন প্রতিটি প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে এবং তা প্রতিবেদন প্রক্রিয়া মাধ্যমে স্বতঃস্ফূর্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে প্রেরণ করা হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সামাজিক দায়িত্ব পালনে প্রকল্প বাস্তবায়ন দ্বারা সরকার দেশের সংস্থাগুলোকে কর্মসূচি অনুসরণে সাহায্য করবে। অর্থ উপদেষ্টা একটি বিশ্বস্ত প্রক্রিয়া নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিন
