News

ধানক্ষেতে সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

ধানক্ষেতে সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু ধ নক ষ ত স চ দ - ধানক্ষেতে সেচ দিতে গিয়ে বৈদ্যুতিক মোটরের সংস্পর্শে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন মেহেরপুরের

Desk News
Published June 1, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ধানক্ষেতে সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু

ধ নক ষ ত স চ দ – ধানক্ষেতে সেচ দিতে গিয়ে বৈদ্যুতিক মোটরের সংস্পর্শে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মড়কা বাজারসংলগ্ন মাঠে চাষ করতে নিয়োগ পেয়েছিলেন শহিদুল ইসলাম (৬০)। তিনি বানিয়াপুকুর গ্রামের প্রখ্যাত কৃষক শাহাদাত মণ্ডলের ছেলে। তাঁর পরিবার দাবি করেছেন যে তিনি ধানের মিল চালু করেছিলেন এবং গ্রামের সংযোগের জন্য বৈদ্যুতিক মোটরের কাজ করতেন।

অসাবধানতার ফলে ঘটেছে দুর্ঘটনা

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে রবিবার সকাল ৯টার দিকে শহিদুল ইসলাম বৈদ্যুতিক মোটর চালু করতে গিয়ে বিদ্যুতের সংস্পর্শে পড়েন। সেচ প্রক্রিয়ার সময় তাঁর হাতে বিদ্যুৎ পরিবাহন স্পর্শ হয়ে বিদ্যুৎস্পূষ্ট হন। ঘটনার পর আশপাশের কিছু লোক তাকে স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রেরণ করেন। কিন্তু চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের জানানো হয় যে শহিদুল ইসলাম বিদ্যুতের সংস্পর্শে পড়ার পর সাত মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সংস্থার তদন্ন বর্তমানে

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে শহিদুল ইসলাম ধানের সেচের কাজ করছিলেন এবং বিদ্যুৎ চালু করার সময় অসাবধানতার কারণে সংস্পর্শে পড়েন। এই ধরনের দুর্ঘটনার প্রতি চেষ্টা করা হচ্ছে প্রতি মাসে সামান্য বৃদ্ধি হওয়া সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংস্পর্শ বিদ্যুৎ সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োগ করা হয়নি। তদন্ন কর্মীদের মতে মাঠে বৈদ্যুতিক সেচ করার সময় কৃষকদের বিদ্যুৎ সুরক্ষা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া দরকার।

স্থানীয় কিছু কৃষক বলেন যে শহিদুল ইসলাম গ্রামে প্রতিদিন ধান চাষের সময় বিদ্যুৎ সুরক্ষা প্রণালী ব্যবহার করতেন না। তিনি সেচ দিতে গিয়ে অনেক সময় সংস্পর্শে পড়েন। এই ধরনের দুর্ঘটনার পর কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় মৃত কৃষকের পরিবার বৈদ্যুতিক ঘটনা প্রতি চেষ্টা করছেন কিছু সহায়তা পেতে।

বিদ্যুৎ সুরক্ষা বিষয়ে নীতি নিশ্চিত করা হয়েছে

এই ঘটনার পর গাংনী উপজেলার মৃত্যু ঘটনা প্রতি স্থানীয় কিছু কর্মকর্তা প্রতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন। একজন বৈদ্যুতিক সুরক্ষা কর্মী বলেন যে ধান চাষের সময় বিদ্যুৎ সুরক্ষা বিষয়ে কৃষকদের সচেতন করা দরকার। বর্তমানে বিদ্যুৎ সুরক্ষা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে যাতে কৃষকদের বৈদ্যুতিক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করা হবে। এটি গাংনী উপজেলার স্থানীয় সংস্থার জন্য সুনিশ্চিত হওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।

পরিবার জানান যে শহিদুল ইসলাম গ্রামের সেচ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার জন্য বৈদ্যুতিক মোটর চালু করেছিলেন। ঘটনার পর তাঁর কৃষি কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি অনেক কাজে সাহায্য করেছিলেন। এই ঘটনার জন্য কৃষকদের দুঃখ দেখা যাচ্ছে। পরিবার এখনও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ঘটনা সম্পর্কে তদন্ন চালাচ্ছেন।

পরিবার স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্�

Leave a Comment