News

নাচোলে জাল সনদে চাকরি, দুই শিক্ষকের বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

নাচোলে জাল সনদে চাকরি ফেরতের নির্দেশ ন চ ল জ ল সনদ চ - শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সামাজিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের যুগ্ম সনদে সনদের খালি অংশে চাকরি নেওয়ার জন্য দুই

Desk News
Published May 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নাচোলে জাল সনদে চাকরি ফেরতের নির্দেশ

ন চ ল জ ল সনদ চ – শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সামাজিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের যুগ্ম সনদে সনদের খালি অংশে চাকরি নেওয়ার জন্য দুই শিক্ষকের বেতন-ভাতা ফেরত দিতে হবে বলে নির্দেশ জারি করা হয়েছে। এই আদেশটি নাচোল উপজেলার রাজবাড়ি কলেজে বিভিন্ন শিক্ষকের সনদের যাচাই করার মাধ্যমে জারি করা হয়। সনদের খালি অংশ খুঁজে পাওয়ার পর তাদের বেতন ফেরত দিতে হবে বলে ঘোষণা করা হয়।

শিক্ষকের ক্ষেত্রে সনদ যাচাই প্রক্রিয়া

মো. ইসাহাক আলী নামে গণিত বিভাগের প্রভাষক কলেজে নিয়োগ পেয়েছিলেন কিন্তু তাঁর সনদে একাধিক ছাপা পাওয়া হয়। তিনি ২০১২ সালে কলেজে যোগদান করেন এবং ২০১৩ সালে মন্ত্রণালয়ের সনদ যাচাই করার প্রক্রিয়ায় তার এমএসসি সনদ বিশ্লেষণ করা হয়। নাচোলে জাল সনদের ক্ষেত্রে তাঁর নিয়োগ যথেষ্ট সঠিক ছিল বলে মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে।

তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠি প্রকাশ করা হয় যেখানে তাঁর সনদটি অকৃতকার্য ও জাল বলে উল্লেখ করা হয়। তদন্ত কমিটি ঘোষণা করে যে কলেজে দুই শিক্ষকের বেতন-ভাতা ফেরত দিতে হবে। সে কারণে নাচোলে জাল সনদ সম্পর্কে আরও জানা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের কাজ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নাচোলে জাল সনদ পরিচ্ছন্ন করার জন্য পরিপত্র বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তবে তাঁর নিয়োগ করা হয় যে কারণে সনদে নামের ছাপা ছিল। নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নাচোলে জাল সনদ প্রমাণে প্রমাণ আবেদন করা হয়।

তদন্ত কমিটি তাঁদের সনদের সত্যতা চেক করার জন্য কাজ করে। কলেজের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এমপিও নির্ধারণ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নাচোলে জাল সনদ তদন্ত করা হয়।

মো. ইসাহাক আলী জানান যে মন্ত্রণালয়ের সনদ চেক করার পর তাঁর বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি এখন কলেজে আবার কাজ করতে চাইবেন কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ হচ্ছে।

যুক্তিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক মো. খলিলুর রহমানের ক্ষেত্রেও নাচোলে জাল সনদ খুঁজে পাওয়া হয়। তিনি ২০০০ সালে কলেজে নিয়োগ পেয়েছিলেন কিন্তু নিয়োগের সময় তাঁর সনদে অকৃতকার্য অংশ ছিল। পরিপত্র অনুযায়ী প্রভাষক পদে দ্বিতীয় বিভাগ বাধ্যতামূলক। সে কারণে নাচোলে জাল সনদের জন্য তাঁর বেতন ফেরত দেওয়া হয়।

নাচোলে জাল সনদের প্রতিটি ক্ষেত্রে তদন্ত কমিটি ঘোষণা করে। তাদের সনদে খালি অংশ খুঁজে পাওয়ার পর বেতন ফেরত দিতে হবে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষ তাদের বেতন-ভাতা ফেরত দিতে আদেশ জারি করে। কলেজের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার পর তারা আবার কাজ করতে চাইবেন কিনা সে বিষয়ে চিন্তা করা হয়।

Leave a Comment