ডিএডব্লিউসি কর্তৃক অনুষ্ঠিত নারী শিল্পীদের সম্মানে ‘উইমেন ইন আর্ট’ ফান্ডরেইজার
ন র শ ল প দ র – বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় গুলশান ক্লাবের ক্রিস্টাল প্যালেস হলে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ডিএডব্লিউসির পরিচালিত ‘উইমেন ইন আর্ট’ ফান্ডরেইজার। প্রতিষ্ঠাতা নুসরাত মাহমুদ ও সমকালীন শিল্পী তাইয়েবা বেগম লিপি কর্তৃক আয়োজিত এই আয়োজনে সাইলেন্ট অকশন, প্যানেল আলোচনা ও নৈশভোজ সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালিত হয়। আয়োজনে বাংলাদেশের নারী শিল্পীদের সম্মানে তহবিল সংগ্রহ করা হয়, যার মাধ্যমে শিল্প ও মানবকল্যাণ বিষয়ক সমন্বয় করা হয়। অনুষ্ঠানে নারী শিল্পীদের সাংস্কৃতিক ভূমিকা ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজে সহায়তা করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
নারী শিল্পীদের সৃজনশীলতা ও বৈচিত্র্য প্রদর্শিত
অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের সমকালীন শিল্পচর্চার মধ্যে নারী শিল্পীদের ভূমিকা ও সৃজনশীলতাকে বিশেষ প্রাধান্য দিয়ে প্রদর্শিত হয়। গ্যালারিস্ট রুমানা হাবিব কিউরেশনে সাজানো প্রদর্শনীতে শিল্প কর্মকাণ্ডে নারী সংস্কৃতির উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন সম্মানিত শিল্পীদের মধ্যে কনক চাঁপা চাকমা ও রোকেয়া সুলতানা এবং মায়ার নামে পরিচিত ব্র্যান্ড অংশ গ্রহণ করেছে।
উইমেন ইন আর্ট ফান্ডরেইজার আয়োজিত হয়েছে চতুর্থবার। এই প্রকল্প বর্তমানে ডিএডব্লিউসির প্রধান স্বাক্ষরধর্মী উদ্যোগগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে চিহ্নিত। আয়োজকেরা জানান যে এই আয়োজন নারী শিল্পীদের কাজ বৃহত্তর পরিসরে প্রকাশ করার সাথে সাথে সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করে। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের নারী শিল্পীদের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়।
অনুষ্ঠানের প্যানেল আলোচনায় নারী শিল্পীদের সাংস্কৃতিক নেতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক পরিচিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় বৃহত্তর আর্ট ফাউন্ডেশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা নুসরাত মাহমুদ ও সমকালীন শিল্পী তাইয়েবা বেগম লিপি অংশ গ্রহণ করেন। আয়োজনের মাধ্যমে নারী শিল্পীদের ভূমিকা ও গুরুত্ব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ঘটে।
প্রদর্শনীতে সম্মানিত নারী শিল্পীদের কর্ম অনুষ্ঠানে একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী কনক চাঁপা চাকমা ও রোকেয়া সুলতানা অন্তর্ভুক্ত হন। এই বিশেষ আয়োজন বাংলাদেশের শিল্পসংগ্রাহক এবং সমাজসেবী ব্যক্তিদের মধ্যে বৈচিত্র্য ও সৃজনশীলতা তুলে ধরে।
উইমেন ইন আর্ট ফান্ডরেইজার পরিচালনার মাধ্যমে শিল্প ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক সমন্বয় করা হয়। আয়োজনটি প্রতিষ্ঠিত ও উদীয়মান নারী শিল্পীদের কর্মকাণ্ডে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠাতারা জানান যে এই প্রকল্প নারী শিল্পীদের সম্মান ও সৃজনশীলতা নিয়ে আলোচনা করে এবং তাদের কাজে সহায়তা করে।
অনুষ্ঠানে
