News

প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

প্রেসিডেন্ট জিয়া এবং জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন প র স ড ন ট জ - বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুগে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রনৈতিক দর্শন ছিল জনগণের

Desk News
Published May 30, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

প্রেসিডেন্ট জিয়া এবং জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন

প র স ড ন ট জ – বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুগে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রনৈতিক দর্শন ছিল জনগণের অংশগ্রহণ ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার জন্য একটি অপরিহার্য আয়তন। তাঁর ধারণায় রাষ্ট্র জনগণের শক্তি, শ্রম, ভূমি এবং পানির সাথে যুক্ত হয়ে নির্মিত হওয়া উচিত। এই ধারণা ছিল স্বাধীনতা আহ্বানের একটি সংগ্রাম, যার প্রতিফলন প্রাকৃতিক অধিকার ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার মাধ্যমে প্রকট হয়েছিল।

জনসার্বভৌমত্ব ও সমৃদ্ধির মূল প্রশ্ন

প্রেসিডেন্ট জিয়া প্রধানত জনসার্বভৌমত্বকে রাষ্ট্রগঠনের মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেন। তাঁর মতে রাষ্ট্র শুধুমাত্র ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবে থাকা চলবে না, বরং জনগণের উৎপাদনশীলতা এবং সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এই দর্শন দ্বারা তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন যে স্বাধীনতা ছাড়া সমৃদ্ধি সম্ভব নয়।

রাষ্ট্রনৈতিক উন্নয়ন এবং জনগণের ভূমিকা

প্রেসিডেন্ট জিয়া বিশেষ করে গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রনৈতিক সমৃদ্ধির আধার প্রস্তুত করেন। তাঁর খাল খনন কর্মসূচি এবং উৎপাদনমুখী রাজনীতি দিয়ে তিনি স্থায়ী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন। বুঝেছিলেন যে আমদানিনির্ভরতা এবং ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়।

তাঁর দর্শন অনুযায়ী রাষ্ট্র ক্ষমতার উৎস হিসেবে জনগণকে গ্রহণ করে এবং প্রাকৃতিক অধিকার গ্রহণ করে রাষ্ট্র বাস্তব অর্থনৈতিক বাস্তবতা গড়ে তোলার জন্য প্রস্তুত হয়। জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা ও পূর্ব-পশ্চিম কৃষি ক্ষেত্রে জনগণের প্রাকৃতিক অধিকারের ভিত্তি স্থাপন করা তাঁর ধারণার মূল উদ্দেশ্য ছিল।

জনসার্বভৌমত্ব ও প্রকৃতি-সংবেদনশীলতা

জনগণের অধিকার তখনই নিরাপদ হয়, যখন মাটি, পানি এবং নদী সহ প্রকৃতি ভূমি ও প্রাকৃতিক অধিকারের মাধ্যমে নিরাপত্তা প্রদান করে। এই ধারণা প্রেসিডেন্ট জিয়ার র

Leave a Comment