প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখল কেকেআর
২০ মে
প ল অফ র আশ ব চ – বৃষ্টি ঘূর্ণন করে ম্যাচকে বিঘ্নিত করে কেকেআর প্লে-অফ আশার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতি রেখেছে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে চার উইকেটে পরাজিত করে তারা টুর্নামেন্টের শেষ পর্বে এগিয়ে আসে।
টস জিতে কেকেআর অধিনায়ক আজিঙ্কা রাহানে মুম্বাইকে প্রথমে ব্যাট করতে বলেন। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের শুরুটা করে উইকেট হারিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের উপর চাপ তৈরি হয়। রোহিত শর্মা মাত্র ১৫ রানে ফিরে আসেন এবং রিয়াল রিকেলটন কেবল ৬ রান করেন। মিডল অর্ডারে কেউ কেন্দ্র হিসেবে দাঁড়াতে পারেননি।
মুম্বাইয়ের হয়ে কেবলমাত্র কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন করবিন বশ। তার নিকটতম স্কোর ৩২ রান। কেকেআরের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে মুম্বাই বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয়। সৌরভ দুবে, ক্যামেরন গ্রিন এবং কার্তিক ত্যাগী প্রত্যেকে দুটি উইকেট তুলে নেন। অভিজ্ঞ স্পিনার সুনিল নারায়ণও গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পান।
প্রতিপক্ষ ব্যাট করতে নেমে আজিঙ্কা রাহানের দল সুরু করে ব্যর্থ হয়। ফিন অ্যালেন মাত্র ৮ রান করে ফিরে যান। অধিনায়ক রাহানে ব্যাট থেতে আসেন ২১ রান। ক্যামেরন গ্রিনও মাত্র ৪ রানে বাকি হয়। ৫৪ রানে পাঁচ উইকেট হারানোর পর কেকেআর কিছুটা চাপে পড়ে।
ম্যাচের মোড় ঘুরায় অভিজ্ঞ মণীষ পাণ্ডে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা রভম্যান পাওয়েল এক জুটি গড়ে তোলেন। দুই ব্যাটার মিলে স্কোরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ তৈরি করে। কিন্তু জশপ্রীত বুমরাহ দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে পাওয়েলের জুটি ভাঙেন। ম্যাচ শেষে রিঙ্কু ও অনুকূল রায় কেকেআরকে জয় অর্জন করেন।
হারের পর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক দুর্বল ফিল্ডিংকে দোষারোপ করেন। তিনি বলেন, উইকেটটি বোলারদের জন্য খুবই ভালো ছিল, কিন্তু ক্যাচ মিস করার কারণে ম্যাচে তাদের অনেক ভুগতে হয়েছে।
জয়ের ফলে কেকেআর পয়েন্ট টেবিলে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। প্লে-অফ নিশ্চিত করতে দলটি পরবর্তী ম্যাচগুলিতে আরও দৃঢ়তার প্রয়োজন হবে।
সময় সূচী
২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চ
