ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে নিহতদের ৪ জন একই পরিবারের
ফর দপ র ব স অ য – ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার শংকরপাশা এলাকায় একটি বিআরটিসি বাস এবং অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স চালকসহ পাঁচ জন মৃত্যুর পর পুলিশ উদ্ধার অভিযান চালায়। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সংগ্রহ করা হয়।
পুলিশ ও স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় এক পরিবারের একজন অসুস্থ সদস্যকে চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে নিহত হন আলমগীর হোসেন, তার ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন, তাদের বাবা হাজী আব্দুল ওয়াহেদ মোল্যা, আলমগীরের স্ত্রী খুশি বেগম, জাহাঙ্গীরের স্ত্রী মাজেদা বেগম এবং অ্যাম্বুলেন্স চালক কাউছার হোসেন।
নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। উদ্ধার করা হয় নিহতদের মরদেহ এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দুর্ঘটনার সংঘটন সময় সকাল ১০টার দিকে ঘটে। এ ঘটনায় চিকিৎসা প্রসঙ্গে আসা অ্যাম্বুলেন্সটি বরিশালগামী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পরিবারের চার সদস্য একই স্থানে মৃত্যুবরণ করে।
মৃত হন মোস্তফাপুর ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামের আলমগীর হোসেন, তার ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন, তাদের বাবা হাজী আব্দুল ওয়াহেদ মোল্যা, আলমগীরের স্ত্রী খুশি বেগম এবং জাহাঙ্গীরের স্ত্রী মাজেদা বেগম। অ্যাম্বুলেন্স চালক কাউছার হোসেন সহ পাঁচ জন মৃত।
সংঘর্ষ ঘটে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কে। অ্যাম্বুলেন্সটি মাদারীপুর থেকে ছেড়ে আসছিল এবং শংকরপাশা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বাসের সংঘর্ষ হয়।
এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়। মৃতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সংগ্রহ করা হয়।
দুর্ঘটনা সংঘটিত হয় রবিবার (২৪ মে) সকাল ১০টার দিকে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা চলছে।
তথ্য অনুযায়ী, বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে চার জন একই পরিবারের সদস্য। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয় পুলিশের দ্বারা।
পূর্ব-পশ্চিম ২৩ ঘণ্টা আগে
