বাকলিয়ায় ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ ঘটে, দ্বিতীয় দিনে ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ
ধর্ষণ ঘটনার প্রতিবেদন ও ক্রমবর্ধমান তদন্য
ব কল য য ৪ বছর র – বাকলিয়ায় ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ ঘটনার প্রতিবেদন প্রক্রিয়া অগ্রগতি লাভ করছে। চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে দ্বিতীয় দিনে ছয়জন সাক্ষী জবানবন্দি দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার মামলার প্রসিকিউশন শাখার সদস্য মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী জানান, তদন্ত প্রক্রিয়া সুচারু ভাবে চলছে। এ ঘটনা ঘটে গত ২১ মে বিকেলে বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায়। এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে ধর্ষণের সত্যতা চিকিৎসা প্রতিবেদন ও ডিএনএ রিপোর্টের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়েছে।
অভিযুক্ত মনির হোসেন (৩০) কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকায় মিয়াখাননগরে বসবাস করছিলেন। মামলার আসামি সহ সাক্ষীদের প্রতিবেদন সংগ্রহে সম্প্রতি চালু হয়েছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ বলছেন যে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য ক্রমবর্ধমান তদন্ত চলছে।
ট্রাইব্যুনাল আদালতের ক্রমবর্ধমান কার্যপ্রণালী
চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ ঘটনার তদন্ত অগ্রগতি লাভ করছে। পুলিশ জানায় যে মামলার আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহে প্রসিকিউশন শাখার অধিবেশন চলছে। এ মামলার প্রতিবেদন দাখিল হয়েছে আদালতে যেহেতু শিশু ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং সাক্ষ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। বাকলিয়া য় ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য সংগৃহিত তথ্যগুলো ক্রমবর্ধমান হাজির হয়েছে।
“বাকলিয়ায় ৪ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবেদন প্রক্রিয়া প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে।” ট্রাইব্যুনাল পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী বলেন। তিনি আরও জানান যে মামলার প্রতিবেদনে সাক্ষ্য গ্রহণ ধারাবাহিকভাবে চলছে। বাদী মেহেদী হাসান প্রতিবেদনে যুক্ত করেছেন সাক্ষীদের বর্ণনা।
ট্রাইব্যুনাল আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি সংগ্রহে সম্প্রতি প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাকলিয়ায় ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ বলেন যে মামলার প্রতিবেদনে সত্য প্রমাণ জনিত কাজগুলো সম্পন্ন হয়েছে। আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে আরও প্রমাণ সংগ্রহের প্রক্রিয়া চালু হয়েছে।
আদালত চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল অধীনে প্রক্রিয়া বাকলিয়ায় ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ ঘটনার নিষ্পত্তি করছে। বুধবার প্রতিবেদন দাখিল হয়েছে আদালতে। যেহেতু ধর্ষণ ঘটনা গুদামকক্ষে ঘটেছে, সে কারণে সাক্ষীদের জবানবন্দি সংগ্রহের কাজ চলছে। বাকলিয়ায় ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ ঘটনার তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানান যে ধর্ষণের ঘটনার পরে বাচ্চা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তিনি বলেন, বাকলিয়ায় ৪
