News

বাজারে এলো রংপুরের হাঁড়িভাঙা, ৩০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

রংপুরে হাঁড়িভাঙা আম বাজারে প্রবেশ করেছে, ৩০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা বাজারজাতকরণ শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা সময়ের আগে ব জ র এল র প র - রংপুর জেলার সুস্বাদু ও

Desk News
Published June 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

রংপুরে হাঁড়িভাঙা আম বাজারে প্রবেশ করেছে, ৩০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা

বাজারজাতকরণ শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা সময়ের আগে

ব জ র এল র প র – রংপুর জেলার সুস্বাদু ও জনপ্রিয় হাঁড়িভাঙা আমের আনুষ্ঠানিক বিক্রি শুরু হয়েছে। গরমের কারণে এবার প্রতিযোগিতার সময়ের পাঁচ দিন আগে বিক্রির অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার মিঠাপুকুর উপজেলার পদাগঞ্জে বাজারজাতকরণের উদ্বোধন করেন রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন। এ সময় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তাপদাহের কারণে সময় সামান্য আগে শুরু হয়েছে

প্রতিযোগিতার সময়ের আগে হাঁড়িভাঙা আমের বাজারজাতকরণ শুরু হয়েছে। তাপমাত্রার উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বিক্রির প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হয়েছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন যে সময়ের পরিবর্তনে আমের মূল্য ও বিক্রি পদ্ধতি বিস্তার পেয়েছে।

প্রবীণ আলী হোসেন মোল্লা বলেন, একসময় এক পোয়া হিসেবে ৮ হালি আম প্রতিদিন বিক্রি হত। তিনি আরো বলেন যে এখন বিক্রি হয় কেজি দরে। গন্ডা ও হালি হিসাবে আমের বিক্রি সম্প্রতি কমে গেছে যার কারণে বাজারে হাঁড়িভাঙা আমের প্রাধান্য রয়েছে।

আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁড়িভাঙা আম বাজারে এখন প্রায় সাড়ে তিন হাজার হেক্টর জমিতে চাষ করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় প্রতি হেক্টরে গড়ে ১০ থেকে ১২ মেট্রিক টন আম উৎপাদিত হয়। এ বিষয়ে রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, হাঁড়িভাঙা আম বর্তমানে প্রতিযোগিতা সময়ে বিক্রি হচ্ছে। এর উৎপাদন বেশি হয়েছে যার কারণে কৃষকদের লাভ ঘটবে বলে আশা করছি।

বর্তমানে প্রতি কেজি আম বিক্রির দাম শুরুতে গড়ে ৪০ থেকে ৫০ টাকা হয়ে মৌসুমের শেষে পর্যন্ত ১৫০ টাকায় পৌঁছতে পারে। বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর এলাকার আমচাষি সামছুজ্জামান বলেন, এবার আমের ফলন খুবই ভালো হয়েছে। কৃষকরা ভালো দাম পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

হাঁড়িভাঙা আমের ওজন সাধারণত ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রাম। তার সুস্বাদুতা ও জনপ্রিয়তার কারণে দেশজুড়ে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রবীণরা মন্তব্য করেন যে ঐতিহ্য রক্ষা করা জরুরি। অতীতে এর বিক্রি হয় গন্ডা ও হালি হিসেবে। অবিলম্বে আনুষ্ঠানিক বাজারজাতকরণের সুযোগ কৃষকদের প্রতিযোগিতার সময়ে আশাবাদ নিশ্চিত করবে বলে আশা করছি।

Leave a Comment