News

‘বিচার চাই না’ রামিসার বাবার কথার প্রসঙ্গে যা বললেন আইনমন্ত্রী | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1779350815-e2ed90588f728b50afbcc1e252477331

বিচার চাই না: আইনমন্ত্রী রামিসার বাবার মন্তব্য অনুসারে বিচার ব্যবস্থার প্রসার নিয়ে আলোচনা

বিচার ব্যবস্থা ও আইনমন্ত্রীর মন্তব্য

Patrikajournal.com – ব চ র চ ই ন র – বিচার চাই না বলে রামিসার বাবার কথার প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান নিষ্ঠার সাথে বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে নৃশংস অপরাধের ফলে মানুষের আস্থা ভেঙে যাওয়াটা স্বাভাবিক নয়, কিন্তু বিচার সিস্টেম তার প্রসার অব্যাহত রেখেছে।

বিচার প্রক্রিয়া ও সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে আইনমন্ত্রী বিচার ব্যবস্থার ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে মাগুরা আছিয়া এবং ঢাকা রামিসার মামলা আমাদের মানুষত্বকে চ্যুতির সম্মুখীন করেছে। তিনি আরও বলেন যে বিচার চাই না বলে কথার পর বিচার হবে না এমন পরিস্থিতি আবেগপ্রবণ করেছে।

বিচার চাই না বলে তার বিশ্বাস বিচার হবে না।

আইনমন্ত্রী প্রস্তাব করেন যে বিচার ব্যবস্থায় মামলার জট কমানোর জন্য দ্রুত পেপার বুক প্রস্তুত করা প্রয়োজন। তিনি মন্তব্য করেন যে আছিয়ার মামলার উদাহরণ দেখে বিচার চাই না বলে মন্তব্য করা সত্ত্বেও প্রক্রিয়া দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে। সেখানে সাত দিনে চার্জশিট প্রদান ও এক মাসে বিচার সম্পন্ন হয়েছিল।

রামিসার হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করতে যা যা প্রয়োজন, তা করা হবে বলে আইনমন্ত্রী জানান। তিনি দৃঢ় করে তুলেন যে বিচার কার্যক্রম সুপ্রিম কোর্টের দায়িত্বে রয়েছে এবং তদন্বিতা করতে সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

রামিসার মৃত্যু ঘটনার পর পুলিশ কমিশনারকে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্বিতা প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা হয়েছে, যার প্রতিবেদন বিচার ব্যবস্থার প্রসার নিয়ে আলোচনা করেছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিচার চাই না বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশের অনুসারে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ ও খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর সরাসরি তদন্বিতা করতে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী প্রস্তাব করেন যে বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে নিহতের পরিবারকে সম্মান প্রদান করা আবশ্যক।

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ১১

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *