News

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় হাজীপুর সেতুটি সেজেছে নানা রঙের পতাকায় | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

হাজীপুর সেতু বিশ্বকাপের উত্সবে পরিণত হয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল উৎসবের একটি প্রাঙ্গণের মতো ব শ বক প র উন ম - পটুয়াখালীর কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের হাজীপুর

Desk News
Published June 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

হাজীপুর সেতু বিশ্বকাপের উত্সবে পরিণত হয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল উৎসবের একটি প্রাঙ্গণের মতো

ব শ বক প র উন ম – পটুয়াখালীর কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের হাজীপুর সেতু বিশ্বকাপের উত্সবে পরিণত হয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল উৎসবের একটি প্রাঙ্গণের মতো। সেতুটি সারিবদ্ধভাবে বিভিন্ন দেশের পতাকা দিয়ে সজ্জিত হয়েছে, যার মধ্যে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাকা সর্বাধিক সংখ্যায় দেখা যাচ্ছে। এটি পথচারী ও পর্যটকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

স্থানীয়দের মতে, সমগ্র দেশে ফুটবল বিশ্বকাপের উৎসব চলছে। কলাপাড়া উপজেলার মানুষ বিশেষ ভাবে সমর্থন জানিয়েছেন প্রিয় দলগুলোকে। একাধিক স্থানে ব্যানার, তোরন এবং পাতাকা বিন্যস্ত হয়েছে।

“দীর্ঘদিন ধরে আমরা দলগুলোর প্রতি ভালোবাসায় বিভিন্ন আয়োজন করেছি। এই পতাকা উত্তোলনও তারই অংশ,” বলেন কলাপাড়া রংধনু ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ক্রিড়া সংগঠক বিশ্বাস রাশেদ মোশাররাফ কল্লোল।

পর্যটক ফারুক আহমেদ বলেন, সেতুটি সারিবদ্ধভাবে টানানো পতাকা দ্বারা সজ্জিত হয়ে দৃষ্টিনন্দন হয়েছে। সমর্থকদের মতে, এই দীর্ঘ সেতুটি আর শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং একটি অনন্য প্রতীক হয়েছে ফুটবল উৎসবে।

স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান দাবি করেন যে সেতুর দুই পাশে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকাই বেশি রয়েছে। সন্ধ্যার সময় শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের মানুষ সেতুতে ভিড় জমিয়েছেন আড্ডা ও আলোচনার জন্য। অনেকে ভিডিও ও ছবি শেয়ার করছেন সামাজিক মাধ্যমে।

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম ৭ সেকেন্ড আগে | মন্ত্রীকথন ৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস ৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস ৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ২১ মিনিট আগে | নগর জীবন ২১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন ২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ২৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন ৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ৩৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন ৩৪ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি ৩৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি ৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ৪২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস ৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ৪৭ মিনিট আগে | অর্থনীতি ৪৯ মিনি�

Leave a Comment