বিশ্ব নগর ফোরামের ত্রয়োদশ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি অংশগ্রহণ
ব শ ব নগর ফ র ম – ব শ ব নগর ফ র এর প্রথম দিনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেল। আজারবাইজানের বাকুতে সংঘটিত বিশ্ব নগর ফোরামের ত্রয়োদশ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রামে অংশ নিয়েছে। অধিবেশনটি গত রবিবার অ্যানাক্লডিয়া রসব্যাকে শুরু হয়েছিল এবং ২২ মে পর্যন্ত স্থায়ী হবে। আলোচনার মূল বিষয়গুলোতে প্রতিনিধি দল সামাজিক ও সরকারি উন্নয়নের প্রকল্পগুলোর সাথে আলোচনা করেছে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল বিশ্ব নগর ফোরামের অধিবেশনে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোসা ফেরদৌসী বেগমের প্রতিনিধিত্বে অংশগ্রহণ করেছে। নতুন নগর পরিকল্পনা আইনের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আবাসন প্রণীত করা হয়েছে। আলোচনায় অংশ নেওয়া হয়েছিল জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবনের সংকল্পগুলো।
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নগরায়নের প্রকল্পগুলোর প্রস্তাব পেশ করেছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুল আউয়াল এবং মো. আশরাফুল ইসলাম বাংলাদেশের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ। স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া কেন্দ্রীয় কর্মসূচির মূল পয়েন্ট নির্ধারণ করেছেন।
অন্তর্ভুক্তি ও সহযোগিতা বৃদ্ধি
বিশ্ব নগর ফোরামের অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল বৈশ্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে স্থায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সাহায্য করছে। ভূমির অবক্ষয় রোধ করার জন্য কক্সবাজারে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল মাল্টি-কান্ট্রি অফিস এবং বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসের সাথে সহযোগিতা গ্রহণ করেছে।
বিশ্ব নগর ফোরামে প্রকাশিত হয়েছে সরকারি আবাসন কর্মসূচি এবং টেকসই নির্মাণে অংশীদারিত্বের প্রস্তাব। পুরান ঢাকা পুনরুজ্জীবন প্রকল্পটি বাসযোগ্যতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিনিধি দল প্রকল্পগুলো জনগণের সমান সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্ব স্থাপন করেছে।
বিশ্ব নগর ফোরামের অধিবেশনে আলোচনা করা হয়েছে স্থানিক পরিকল্পনা আইন এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার জন্য অগ্রাধিকার নির্ধারণের বিষয়ে। সাশ্রয়ী পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশ নগর উন্নয়নের জন্য বিশ্ব সহযোগিতা খুঁজছে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল এই অধিবেশনে বিশ্ব নগর ফোরামের উপলক্ষে স্থায়ী উন্নয়নের জন্য নতুন অগ্রাধিকার ঘোষণা করেছে। বৃহৎ উদ্যোগগুলো যেমন পূর্বাচল নতুন শহর ও ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প বাংলাদেশের নগর পরিকল্পনা ব্যবস্থার প্রসারে অবদান রাখছে।
আলোচনার পরিণতি হিসেবে বিশ্ব নগর ফোরামের অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল স্থানিক পরিকল্পনা আইন এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার জন্য অগ্রাধিকারের প্রস্তাব প্রকাশ করেছে। উদ্যোগগুলো স্থানীয় জনগণের বাস্তবায়ন
