বিশ্ব সংগীত দিবসে হাছন রাজার সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ প্রকাশ করা হয়েছে
ব শ ব স গ ত দ – বিশ্ব সংগীত দিবসের উপলক্ষে বাংলার সমৃদ্ধ লোকসংগীত ঐতিহ্যকে নতুন আঙ্গিকে পরিচিত করানোর জন্য মায়া ব্র্যান্ডের একটি বিশেষ উপস্থাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব নেন শায়ান চৌধুরী অর্ণব, যার দেখাদেখি হাছন রাজার পরিচিত গানগুলো সম্প্রতি নতুন আবহে প্রকাশিত হয়েছে। এগুলো আত্মচেতনা, ভালোবাসা এবং বৈরাগ্য প্রতিফলিত করেছে।
সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন প্রজন্মের মাধ্যমে আকর্ষণ সৃষ্টি করা হয়েছে
আয়োজনটির স্বাগতিক বক্তব্য দেন রুমানা চৌধুরী। তিনি বলেন, “সংস্কৃতিকে শুধু সংরক্ষণ করলে হবে না, নতুন প্রজন্মের কাছে এটি নতুন আঙ্গিকে প্রকাশ করা গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রচেষ্টা সেই প্রচেষ্টার অংশ।” আয়োজনটির কমিউনিকেশন পার্টনার ছিল সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড, যারা আগামী ২১ জুন রাত সাড়ে ৮টায় মাছরাঙা টেলিভিশনে এই অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবেন।
প্রকাশিত সংগীতগুলো বিশ্ব সংগীত দিবসে হাছন রাজার কাজ ও মনোভাব দিয়ে নতুন মুহূর্তে সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে উদ্যোগী করেছে। তিনি জানান, গানগুলো স্বাধীনতা চেয়েছে, মনোবিষয়গুলো তুলে ধরেছে। এ ধরনের প্রচেষ্টা বাংলার সংগীত ঐতিহ্যকে আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জাগ্রত করেছে।
অনুষ্ঠানের অন্য বক্তব্যে মালিক মোহাম্মদ সাঈদ বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে দেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করে তোলে। এটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।” বিশ্ব সংগীত দিবস সম্পর্কে উল্লেখ করে অনুষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য হলো বাংলার সংগীত ও দর্শন পরিচিত করা হয়েছে এবং তাদের আধুনিক সমাজে প্রাণ��ঝরন করা।
হাছন রাজার সংগীত জীবনদর্শন এবং মরমি ভাবধারা বিশ্ব সংগীত দিবস বিষয়ে উল্লেখ করে সংগীত সম্প্রচারের মাধ্যমে বাংলার ঐতিহ্যকে পুনর্জাগ্রত করা হয়েছে। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মাঝে গৃহীত মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিশ্ব সংগীত দিবস সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা করা হয়েছে। এটি সম্পর্কে উপস্থাপনটি আগামী ২১ জুন রাত সাড়ে ৮টায় মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে। সংগীতের সম্প্রচারে বিশ্ব সংগীত দিবস অনুষ্ঠানটি সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সংগীতের উপস্থাপন বিশ্ব সংগীত দিবসের সাথে সম্পূর্ণ মানের অংশ হিসেবে কাজ করেছে। হাছন রাজার সং
