সরকার এখন একটি নৈকট্য ও সক্ষম শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে
ব ষম যহ ন ও দক ষ – বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এক প্রস্তাবে ঘোষণা করেন যে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমীকরণ ও প্রতিভার প্রতিষ্ঠা করা এখন সরকারের প্রধান পরিকল্পনা। তিনি জানান, সরকার প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে অপরিসীম সুযোগ দিয়ে ভবিষ্যতে বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্ভাবনী মানুষের উত্থান সম্ভব করবে।
শিক্ষার নতুন প্রাপ্তি অনুষ্ঠানে নতুন দিকনির্দেশনা
সোমবার শেরে বাংলা নগরে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ড. মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের প্রান্তিক স্তরে শিক্ষার গুরুত্ব অনুভব করেছেন। নির্বাচনী ঘোষণার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াকে পুনরায় সংগঠিত করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ দেশের ৬৪টি জেলা থেকে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রতিনিধি সংগ্রহ করা হয়েছে।
বিশেষ করে নারী ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। এটি প্রমাণ করে বাংলাদেশ নারী শিক্ষার উন্নয়নে কতটা ক্ষমতা অর্জন করছে তা স্পষ্ট।
প্রতিটি শিক্ষার্থী যাতে তার মেধার পরিমাণ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা পায়, তার জন্য ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয় বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে তিনি বলেন, মুখস্থ বিদ্যা ছাড়া দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করা সর্বোপরি প্রয়োজন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্পাদিত বিশেষ কর্মসূচি
অনুষ্ঠানটি জাতীয় স্তরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রজেক্ট এবং উদ্ভাবন আইডিয়া প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণের উপলক্ষে আয়োজিত হয়েছে। এখানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি প্রস্তুত হয়েছে।
প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে বিশেষ প্রতিনিধি নেওয়া হয়েছে। যাতে কোনো ভৌগোলিক, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক বৈষম্য না থাকে, তার জন্য সমস্ত শিক্ষার্থী একত্রিত করা হয়েছে। শিক্ষার মাধ্যমিক স্তরে আধুনিকায়নের সঠিক পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করার জন্য সরকার দূরদর্শী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে খুদে বিজ্ঞানীদের মাঝ থেকে আগামী দিনের প্রতিভাবান মানুষ গড়ে ওঠবে। নির্বাচনী ই
