ভাঙ্গায় নকল কসমেটিকস উৎপাদন করেছেন রেজাউল মাতুব্বর
ভ ঙ গ য নকল কসম ট – ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় নকল কসমেটিকস প্রস্তুত করার অভিযোগে রেজাউল মাতুব্বর (৪৫) নামক ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (১৮মে) সন্ধ্যার সাড়ে ৭টায় ভাঙ্গা উপজেলার চণ্ডিদাসদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে অপরাধ দমনের মুখ্য কাজে আদালত হাতেনাতে তাকে আটক করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ পেয়ে অভিযোগের জন্য এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং নকল পণ্যগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।
অপরাধী ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযান
অভিযুক্ত রেজাউল মাতুব্বর ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের দক্ষিণকান্দী গ্রামে বাসিন্দা। তিনি নকল কসমেটিকস উৎপাদনের অভিযোগে আটক করা হয়। ভাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদরুল আলম আদালতের পরিচালনা করেন। অপরাধী কার্যক্রমের স্বীকার করেছেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা জানায়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ মোতাবেক তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অপরাধী ব্যক্তির উপর কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। স্থানে নকল কসমেটিকস প্রস্তুত করার জন্য দরকারী সামগ্রী এবং মেশিনগুলো ধ্বংস করা হয়। আটক করা ব্যক্তি থেকে সরবরাহ করা হয়েছে সম্পূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ। তিনি স্বীকার করেছেন যে নকল কসমেটিকস তৈরি করেছেন এবং তা বাজারে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।
ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদরুল আলম বলেন, ভোক্তারা আরও বেশি শিক্ষিত হওয়ার জন্য নকল কসমেটিকস উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে। এ অভিযানটি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য আইন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং নকল পণ্যগুলো আটক করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া কেন্দ্রীয় হাসপাতাল পরিদর্শনের পর প্রযোজ্য হয়।
অভিযানটি ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মুকুল হোসেন সরদার পরিচালনা করেন। সেই অভিযানটি ভাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন এবং থানার পুলিশ সদস্যদের যৌথ উদ্যোগে চালিয়ে যাওয়া হয়। এই অপারেশনটি জনস্বাস্থ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরাসরি পরিচালিত হয়। তিনি মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশন দাখিল করেন।
নকল কসমেটিকস ব্যবহারের পরিণাম ভোক্তাদের আরও বেশি আশংকা তৈরি করে। আটক করা ব্যক্তি থেকে প্রাপ্ত প্রমাণ বলে উঠেছে যে সে বিভিন্ন রকমের কসমেটিকস প্রস্তুত করেছেন যেগুলো সাধারণ মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর হতে পারে। এই অপারেশনের ফলে ভাঙ্গা উপজেলায় নকল পণ্য বিপণনের প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। পুনরায় ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ জমা দেয়া হতে পারে।
এই অভিযোগ সামনে আসার পর থেকে নকল কসমেটিকস উৎপাদন করা ব্যক্তিদের মুখে আরও বেশি চাপ পড়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে অপরাধ দমন করা হয়েছে এবং সেখানে �
