ভোজ্যতেল কারসাজির অভিযোগে ভোজ্যতেল করস প্রতিষ্ঠানকে ৩২ কোটি টাকা জরিমানা
ভ জ যত ল ক রস জ – বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন বর্তমানে ভোজ্যতেল করস প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহ ব্যবস্থাপনা ও বাজার নিয়ন্ত্রণে অপ্রতিযোগিতামূলক কার্যকলাপের অভিযোগে প্রশাসনিক আর্থিক শাস্তি আরোপ করেছে। এ সিদ্ধান্তের সাথে সাথে ভোজ্যতেল করস বিষয়টি বিশেষ আন্তরিকতার সাথে তথ্য সরবরাহ করে। কমিশনের সচিব মাহবুবুর রহমান খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য ঘোষণা করেন।
অভিযোগ ও শাস্তির ভিত্তি
রায়ে প্রতিষ্ঠানের ২০১৯-২০, ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ অর্থবছরে সরবরাহ প্রক্রিয়ায় অপ্রতিযোগিতামূলক কার্যকলাপের প্রমাণ পাওয়ার জন্য ভোজ্যতেল করস প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালিত হয়। বাজার নিয়ন্ত্রণের দিকে নজর দেওয়া হয় যে মেয়াদোত্তীর্ণ সরবরাহ আদেশ (এসও) ব্যবহার করে ভোজ্যতেল করস প্রতিষ্ঠান অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটায়। বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-এর ধারা ২০ অনুযায়ী এই বিষয়টি মূল্যবৃদ্ধি প্রতিরোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
বিষয়টি সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ
ভোজ্যতেল করস প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ প্রক্রিয়ায় বাজার নিয়ন্ত্রণে অপ্রতিযোগিতামূলক ব্যবহারের অভিযোগ দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছে। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ দলের পরিচালনায় সত্যায়িত হয় যে মেয়াদোত্তীর্ণ এসও ব্যবহার করে ভোজ্যতেল করস সংকট সৃষ্টি করে। কমিশন এর জন্য মূল্যবৃদ্ধির অপ্রতিযোগিতামূলক প্রমাণ দেখে এ শাস্তি আরোপ করেছে।
ভোজ্যতেল করস প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ হিসাবে বলা হয়েছে যে সরবরাহ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরেও তারা পণ্য সরবরাহ করে এবং অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি করে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তদন্ত করে এবং স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ার পর কমিশন কার্যকর করে।
২০২২ সালে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ভোজ্যতেল করসের মূল্যবৃদ্ধি অনুসন্ধান করে। তদন্তের ফলে ভোজ্যতেল করস প্রতিষ্ঠান বাজার নিয়ন্ত্রণে অপ্রতিযোগিতামূলক ব্যবহার করেছে এ নির্ধারণ করা হয়। এর ভিত্তিতে কমিশন ভোজ্যতেল করস প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি সংক্ষিপ্ত করে আদেশ প্রদান করে।
ভোজ্যতেল করস প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতা আইনের ধারা ১৫ এর উপধারা (১) ও (২) লঙ্ঘন করা হয়েছে। কমিশন বলে দেয় যে ভোজ্যতেল করস প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ প্রক্রিয়ায় বিশেষ স্থান গৃহীত হয়েছে এবং ভোজ্যতেল কর
