মহররম র নফল ইবাদত
মহররম র নফল ইব দত – মহররম মাস ইসলামি খেলাফতের মুখ্য সন হিজরি সন গণনার সূত্রে অনুসরণ করা হয়। এটি মুহাম্মদ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হিজরত ঘটনার পর শুরু হয়েছিল এবং আজ পর্যন্ত সে প্রথম মাস হিসেবে স্থাপিত রয়েছে। মহররম র নফল ইবাদত এমন একটি মুহিম ইবাদত যা মুসলমানদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। এ মাসে সাহাবিরা ক্ষমা প্রার্থনা ও তওবা করার কথা বলেছেন রসুলুল্লাহ (সা.)। সাহাবি গণ হিজরি সন চান্দ্রবর্ষভিত্তিক গণনা পদ্ধতির স্থাপনের প্রয়োজন অনুভব করেন।
মহররম মাসের ইতিহাস ও মুখ্য স্থান
মহররম মাস হিজরি সনের দ্বিতীয় খলিফা ওমর ফারুক (রা.)-এর আমলকাল ছিল। সেই সময় ইসলামি খেলাফত রোম ও পারস্য পর্যন্ত পৌঁছেছিল এবং মুহাম্মদ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হিজরতের পর এটি সম্প্রসারণ ও ধর্মীয় পরিচয়ের মূল অংশ হয়ে ওঠে। হিজরি সন গণনা পদ্ধতির সাহাবি গণ কর্মকর্তাদের প্রয়োজন অনুসারে খলিফার কাছে দিকনির্দেশনা প্রাপ্তির সুবিধা ছিল না। সুতরাং সন-তারিখ অনুসারে কাজ করার জন্য হিজরি সন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাস হিসেবে বিবেচিত হয়।
মহররম মাসে নফল ইবাদতের প্রকৃতি
মহররম মাস সাহাবি গণের নির্দেশে এমন একটি মাস যে আল্লাহ বান্দাকে ক্ষমা প্রার্থনার মূল সময় হিসেবে বিবেচিত হয়। এ মাসে কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত ইসতিগফার দোয়াগুলো বুঝে পড়া উচিত এবং সেগুলো দ্বারা ক্ষমা চাইলে আল্লাহ বান্দাকে ক্ষমা করে দেবেন বলে ধর্মীয় শাস্ত্রে উল্লেখ আছে। এ মাসে তওবা ও ইসতিগফার করার জন্য সাহাবি গণের নির্দেশ ছিল এবং এটি মুসলমানদের জন্য অপরিহার্য ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়।
মহররম মাসে সাহাবি গণের শিক্ষা
রসুলুল্লাহ (সা.) হিজরতের পর মহররম মাসে রোজা পালনের হুকুম দেন যাতে তা হিজরতের মুখ্য মাস হিসেবে অনুসরণ করা যায়। সাহাবি গণ তা বুঝে পড়েন এবং তার পরে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেন। মহররম মাসে আমল করার কথা বলেছেন রসুল (সা.) এবং এটি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের মাস হিসেবে বিবেচিত হয়। এ মাসে সুন্নত হিসেবে তার আগে ও পরে রোজা পালন করা জরুরী বলে ধর্মীয় গ্রন্থে উল্লেখ আছে।
যদি রমজানের পর আর কোনো মাসে রোজা রাখতে চাও তবে মহররম মাসে রোজা রাখ। কেননা সেটি আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দিন রয়েছে যেদিন আল্লাহ অনেকের তওবা কবুল করেন। ভবিষ্যতেও আরও অনেক মানুষের তওবা কবুল করবেন। (তিরমিজি, মুসনাদে আহমদ)
মহররম মাসের ইসতিগফার দোয়াগুলো ক্ষমা প্রার্থনা ও তওবা করার জন্য অপরিহার্য। তারা মুমিনদের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সম্মান ও ক্ষমা প্রার্থনা করার ব্যবস্থা করেছেন। এ মাসে ক্ষমাপ্রার্থনা ও ইসতিগফার সময় মুসলমানরা এটি নফল ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এ মাসে মান
