মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
ম ন ষ র অস ত ত – মানুষের অস্তিত্ব এখন একটি সাধারণ হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে আছে। বিশ্বব্যাপী চলছে ধ্বংসের লীলা, যে নিশ্চয়ই দাঁড়াবে কোথায় এবং কিভাবে, সে প্রশ্ন এখন সর্বত্র বিদ্যমান। নিশ্চয় ওই যুদ্ধ ছাড়া কিছু নেই। যেমন নির্বাচনের খেলা, যেখানে নির্বাচনকে সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনি খেলা বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। অনুসারীদের তাঁর কথার প্রতিধ্বনি তুলে গান বাঁধেন। কিন্তু নিয়ম আছে, কারও জন্য যা খেলা, অনেকের জন্য তা মরণ হয়ে ওঠে। একটি কমিশন দ্বারা করা নির্বাচন যখন হয়, তখন একটি সুত্রে মানুষের অস্তিত্ব অপাসুন হয়ে ওঠে।
সামরিক বাহিনীর ভূমিকা ও নির্বাচনের লড়াই
সামরিক বাহিনী যুদ্ধ ঘোষণা করে যখন তারা সামরিক শাসন জারি করে, তখন বিজেপির যুদ্ধ তেমন নয়, এটা রক্তপাতহীন হতে পারে না। মোদির লক্ষ্য হলো ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র বানানো। হিন্দুত্বের আধ্যাত্মিক স্বার্থে নয়, তাঁদের বস্তুগত স্বার্থে। সেজন্য রাজ্য-দখলে তাঁদের যুদ্ধ প্রবল হয়ে ওঠে। ভারতের মানুষদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে পশ্চিমবঙ্গের দখলে তাঁদের যাওয়া কোনো বাইরের শত্রুর বিরুদ্ধে নয়। সেটা মানুষের অস্তিত্ব অপাসুন হয়ে ওঠে।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে সাম্প্রদায়িকতা তেমন একটা পাত্তা পায়নি। পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতিতে ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা আছে। বামপন্থিরা সেখানে একটানা চৌত্রিশ বছর রাজ্য পরিচালনা করেছেন। সে সময়ে হিন্দু জাতীয়তাবাদ তৎপর হতে পারেনি। গুনে গুণে সাতাত্তরটি আসন জিতেছে বিজেপি। বাংলাদেশ প্রতিদিনের রায়টা পরিষ্কার করে দিয়েছিল এমন একটি নির্বাচনে এই রাজ্যে বিজেপি প্রথম প্রবেশ করে। যে প্রথম প্রবেশটা নিশ্চিত করে দিয়েছিল এসআইআর পরিচালনার মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভিন্ন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ‘বাংলাদেশ-প্রত্যাগত’ অভিযোগ তুলে দুই কোটি ট্রাইব্যুনালে আপিল করা হলেও, নির্বাচনের আগে বাতিল করা ভোটারদের ভোট প্রদানের সুযোগ হয়নি।
রায় দিয়েছিল এসআইআর পরিচালনার মাধ্যমে করা নির্বাচন নিশ্চিত করে দিয়েছিল বিজেপি নেতৃত্বে তাঁদের গোটা রাজ্য দখল করার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী ধ্বংসের লীলার মানুষের অস্তিত্ব অপাসুন হয়ে ওঠে। সে প্রশ্ন এখন সর্বত্র বিদ্যমান হওয়ার সাথে সাথে মানুষের অস্তিত্ব হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে আছে। এই ধারণা কমিশন দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দেয়ার জন্য চেন্নাইয়ের হাই কোর্ট রায় দিয়েছিল।
